শওকত মাহমুদ রিমান্ড শেষে কারাগারে
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার শওকত মাহমুদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখারর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ।
আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই জিন্নাত আলী এ তথ্য জানান।
সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছেন, সেই মামলায় শওকত মাহমুদকে ৬ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
তবে মামলার মূলনথি না থাকায় ওইদিন রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হয়নি। ১১ ডিসেম্বর রিমান্ডের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওইদিন শওকত মাহমুদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তিনি ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান ও ২০০৪ সালে মার্কিন পাসপোর্ট পান। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।
মামলায় বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘুরতে থাকেন এনায়েত করিম চৌধুরী। তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তার গাড়ি থামায়। কেন এখানে ঘোরাঘুরি করছেন, জানতে চাইলে তিনি পুলিশকে কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এজন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়।
রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করা হয়। এরপর মামলায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
