১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বুয়েটছাত্র আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাই কোর্ট

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়।

বুয়েটছাত্র আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাই কোর্ট
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Sep 2024, 06:19 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:24 AM

নির্যাতনে নিহত বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

এ সংক্রান্ত একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মাহবুব মুর্শেদ।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেদওয়ান আহমেদ রানজিব এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেদওয়ান আহমেদ রানজিব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আবরার ফাহাদের পরিবারের জন্য ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূণ চাওয়া হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।”

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বুয়েট।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ পরদিন ৭ অক্টোবর এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ১৩ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হয়।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক আবু জাফর কামরুজ্জামান আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দেন; যেখানে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

আবরার হত্যা: ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৫ জনের