Published : 17 Nov 2022, 06:29 PM
তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিতে না আসায় বিতর্কিত বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে মতিঝিল থানার মামলায় ‘অবশ্ষ্টি’ সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে গেছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ মামলায় বৃহস্পতিবার সিআইডির তথ্যপ্রযুক্তি ও ফরেনসিক বিভাগের এসআই রবিউল ইসলামের সাক্ষ্য শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি হাজির না হওয়ায় আদালত আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে আসামিপক্ষের আইনজীবী সোহেল মো. ফজলে রাব্বী জানান।
গত ১২ অক্টোবর আদালতে আংশিক সাক্ষ্য দেন সিআইডির এসআই রবিউল। সেদিন সাক্ষ্য শেষ না হওয়ায় ঢাকার সাইবার ট্রাইবুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত ১৭ নভেম্বর দিন রাখেন। সেজন্য মাদানীকে এদিন আদালতে হাজির করা হলেও সাক্ষী আসেননি।
মাদানীর বিরুদ্ধে মতিঝিল, তেজগাঁও ও গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিনটি মামলায় এ পর্যন্ত তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে বলে জানান ফজলে রাব্বী।
২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ভোরে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে তাকে আটক করে র্যাব। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল সৈয়দ আদনান শান্ত নামে এক ব্যক্তি মাদানীসহ পাঁচজনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২১ অক্টোবর এসআই রেজাউল করিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
একই দিন গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন র্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার আব্দুল খালেক। পরে ওই বছরের ৩০ জুন র্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এছাড়া রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মো. মামুন নামে এক ব্যক্তি ওই বছরের ১১ এপ্রিল আরও একটি মামলা করেন।
গাজীপুরের বাসন থানার মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ ছিল বৃহস্পতিবার।কিন্তু আসামিপক্ষ সময় চাওয়ায় বিচারক শুনানি পিছিয়ে দেন।
২০২১ সালের ১১ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানায় মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ মামলাটি করেন। একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগপত্র দেন।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলাম মাদানী ইউটিউব এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। দেশের সাধারণ মানুষ এসব বক্তব্যের কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিভ্রান্ত হয়ে তারা দেশের সম্পত্তির ক্ষতি করছেন।
আরও পড়ুন
পুরানো খবর:
‘শিশুবক্তা’ মাদানীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ পেছালপুরানো খবর:
মতিঝিল থানার মামলায় মাদানীর বিচার শুরুপুরানো খবর:
‘শিশুবক্তা’ মাদানীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল