বাংলা একাডেমিতে বিদ্যুতের তার চুরি
সকালে ঘটনা জানাজানির পর তার কিনে এনে লাগানো হয়েছে।
বাংলা একাডেমির ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ভবনের এসি সংযোগের বিদ্যুতের তার চুরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে একাডেমির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুতের তার মেরামত করছেন কয়েকজন মিস্ত্রি। বাংলা একাডেমির একজন উপপরিচালকসহ কয়েকজন কর্মকর্তাও সেখানে ছিলেন।
নাম প্রকাশ না করে এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শুক্রবার শামসুর রাহমান হলে একটি প্রোগ্রাম ছিল। প্রোগ্রাম শুরু করার মুহূর্তে এসি চলছিল না। তখনই বৈদ্যুতিক ত্রুটি খুঁজতে গিয়ে এসির তার চুরি ঘটনা বেরিয়ে আসে।”
কী পরিমাণ তার চুরি হয়েছে, এ প্রশ্নে সেই কর্মকর্তা বলেন, “শামসুর রহমান হলে ১০ টনের দুটি এসি আছে। সেগুলোর আউটডোর ইউনিটের তার পশ্চিম পাশে নিচ দিয়ে ভিতরে এসেছে। হলের বাইরের প্রায় ৫০ ফুট তার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
সকালে ঘটনা জানাজানির পর তার কিনে এনে লাগানো হয়েছে বলে তথ্য দেন তিনি।
আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনের ছাদের উপরেও তার চুরি হওয়ার কথা বলেন ওই কর্মকর্তা।
“এই হলের তিন তলার ছাদে বাইরের দিকে থাকা প্রায় ১৪৫ থেকে ১৫০ ফুট এসি সংযোগের তার নিয়ে গেছে। তবে এসির সব তার চুরি করতে পারেনি। তাই এখনো প্রোগ্রাম করা যাচ্ছে,” বলেন তিনি।
চুরির বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, “নতুন তার কিনে লাগানো হয়েছে। এখন হলের এসি সংযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।”
তিনি বলেন, “কী পরিমাণ তার চুরি হয়েছে, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে এখনই বলা যাচ্ছে না। চুরির ঘটনা নিয়ে রোববার বৈঠক হবে। তদন্ত কমিটি, মামলার সিদ্ধান্ত বা নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য যা যা প্রয়োজন ওদিন সিদ্ধান্ত হবে।”
