Published : 25 Dec 2025, 01:11 AM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ করতে হলে কত শতাংশ ভোট পড়তে হবে এবং কোন কোন দল থাকলে তাকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা যাবে, তার উত্তর খুঁজতে বলেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তার মতে, “নাগরিকদের সবাই মনে করেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরের মুহূর্তে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন সরকারের অগ্রাধিকার ছিল। এখন দেশবাসীর নজর ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে।
“সকলেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চান। কিন্তু গ্রহণযোগ্যতার মাত্রা কী? কত শতাংশ ভোট পড়লে এবং কোন কোন দল থাকলে তাকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা যাবে, আমরা এসবের উত্তর খুঁজতে চাই, নয়ত নির্বাচনের পর বিতর্ক তৈরি হবে।”
বুধবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এক গোল টেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “বর্তমানে সরকারের আরেকটি অগ্রাধিকার তৈরি হয়েছে, সেটি হলো জননিরাপত্তা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দু-চারদিন নিরাপত্তা দেওয়া হলেও পরে কী হবে, তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।”
অনুষ্ঠানে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনে দায়িত্ব পালন করে আসা জেসমিন টুলী ও মোহাম্মদ আব্দুল আলীমও বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
জেসমীন টুলি বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে সব কেন্দ্র দখল করতে হয় না, দু-একটা কেন্দ্র দখল করে ফেললেই ফল পাল্টে দেওয়া সম্ভব। তাই কোনো কেন্দ্র দখলের সংবাদ এলেই নির্বাচন কমিশনকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
“নির্বাচনের সঙ্গে যতদিন ‘উপহার’ শব্দটি যুক্ত থাকবে, ততদিন বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। কারণ নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সাংবিধানিকভাবে একটি দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান।”