Published : 20 Sep 2025, 10:45 PM
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করে অন্তবর্তী সরকার দৃষ্টান্ত স্থাপনের সুযোগ নিতে বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘তামাকমুক্ত প্রজন্ম: আইন শক্তিশালীকরণে নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “তামাকের ক্ষতি বহুমাত্রিক। আইনের খসড়া অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। বর্তমান সরকার অনেক সংস্কার করছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংস্কার করলে এটা হবে সরকারের জন্য একটি সিগনেচার রিফর্ম।”
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে আরও মতামত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, বলেন উপদেষ্টা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০২১ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার পর খসড়া প্রণয়ন করা হয়। পরের বছর জনমত যাচাই ও অংশীজনের মতামতের জন্য খসড়াটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ পায়। সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে খসড়াটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে তা অধিকতর মূল্যায়নের জন্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি দুটি বৈঠকও করেছে।
প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে আক্রান্ত তিনজন তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা তিনজনই ক্যান্সারে আক্রান্ত।
তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে পরিচয় পরিচয় করিয়ে দেন বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক।
বৈঠকে প্রজ্ঞার হাসান শাহরিয়ার তার উপস্থাপনায় তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত একটি শক্তিশালী আইন এবং এর কঠোর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আত্মা’র সহআহ্বায়ক নাদিরা কিরণের সঞ্চালনায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট ডা. আবু জামিল ফয়সাল, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এর গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবীর, চিকিৎসক অধ্যাপক অনুপম হোসেন, আত্মা’র আহ্বায়ক মর্তুজা হায়দার লিটন ও প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বক্তব্য রাখেন।