বিশ্বের কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের প্রথম সারিতে বেগম রোকেয়া

কিন্তু পাশ্চাত্যে, ভারতে, এবং খোদ বাংলা ভাষাভাষী বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলায় কল্পবিজ্ঞানের অনেক অনেক আলোচনা এবং সঙ্কলন বের হলেও সেখানে ‘সুলতানা’স ড্রিম’ বা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বা বেগম রোকেয়ার উল্লেখ ছিল না কেন?

আশরাফ আহমেদআশরাফ আহমেদ
Published : 8 Dec 2023, 01:33 PM
Updated : 8 Dec 2023, 01:33 PM

প্রবন্ধের শিরোনামটি আমার মনগড়া নয়, আমার রোকেয়া-প্রীতি থেকেও নয়। অন্য কোনো অখ্যাত কর্মকার, মুন্সী, বা সূত্রধর, দাস বা দর্জির মতো আমি তা বললে কেউ দু’পয়সার মূল্যও দেবেন না, তা জানি। তাই যার নাম বললে সবাই বিশ্বাস করবে, সাদা চামড়ার মতো নাম শোনায় তেমন লোকের দোহাই দিয়েই শিরোনামটি নির্বাচন করেছি। সে কথায় পরে আসছি।

তা ‘সুলতানা’স ড্রিম’ নামে যে গল্পটির কল্যাণে রোকেয়া বিশ্বসাহিত্যের কল্পবিজ্ঞান শাখায় (ইংরেজিতে জনরা বলা হয়) আজ প্রথম সারিতে উঠে এসেছেন, তা হতে এতো সময় লাগলো কেন? গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯০৫ সালে বৃটিশ ভারতের অন্যতম শহর মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত দি ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিনে, এবং ১৯০৫ সালে, ও কলিকাতায় অনুষ্ঠিত মূলতঃ ইংরেজ মহিলা লেখকদের প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরষ্কারপ্রাপ্ত ১। পরে, ১৯২০ সালে রোকেয়া নিজেই ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নামে গল্পটিকে বাংলায় অনুবাদ করেন। গেল শতাব্দীর তিরিশের দশকে কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের একটি স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ২। কিন্তু পাশ্চাত্যে, ভারতে, এবং খোদ বাংলা ভাষাভাষী বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলায় কল্পবিজ্ঞানের অনেক অনেক আলোচনা এবং সঙ্কলন বের হলেও সেখানে ‘সুলতানা’স ড্রিম’ বা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বা বেগম রোকেয়ার উল্লেখ ছিল না কেন?

ওপরের প্রশ্নটির মতোই সাম্প্রতিক বাংলা সাহিত্যামোদীদের জিজ্ঞাসা, নোবেল পুরষ্কার পাবার উপযুক্ত হলেও বাংলা সাহিত্যের অনেক লেখক বহির্বিশ্বে কেন স্বীকৃতি পাচ্ছেন না? নিজের গা বাঁচাতে গিয়ে এর জনপ্রিয়, মুদ্রিত এবং সহজ একটি উত্তর হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমের প্রভূত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব মনোভাব। অর্থাৎ তেমন মনোভাবের ফলেই ওরা আমাদের প্রাপ্য স্বীকৃতিটুকু দেয় না। এই উত্তরের পিঠে সাথে সাথেই আরো দুটি প্রশ্ন এসে যায়। বিদেশিদের কাছে আমরা কি গুরুত্ব ও একনিষ্ঠতার সাথে আমাদের সফলতাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি? আমরা নিজেরাই কি স্বগোত্রীয়দের প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি দিয়েছি?

দুটো প্রশ্নের উত্তরই, না। অন্ততঃ কল্পবিজ্ঞান রচনায় বেগম রোকেয়ার অবদানের ক্ষেত্রে তো নয়ই। বাংলায় কল্পবিজ্ঞান রচনার ইতিহাস যারা চর্চা করেছেন, তাদের কেউই রোকেয়ার নাম বা তাঁর ‘সুলতানার স্বপ্ন’কে উল্লেখ করেন নি। এ সম্পর্কে পূর্ববর্তী এক প্রবন্ধে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি ৩। গল্পটি যে আসলেই অতি উচুদরের একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তা ২০০৯ সালে উপলব্ধি ৪ এবং বিভিন্নজনের সাথে আলোচনা করলেও ২০২২ সালের জানুয়ারির আগে লিখিত আকারে প্রকাশ ৫ করা সম্ভব হয়নি।

অন্তর্জালে এই গল্প বা লেখকের নাম ধরে অনুসন্ধান করলে তখন পর্যন্ত গুটিকয় সূত্রই বেরিয়ে আসতো। তাদের মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি ছিল ২০২০ সালে বিলাত থেকে প্রকাশিত সুপর্না ব্যানার্জি রচিত ‘ইন্ডিয়ান সাইন্স ফিকশনঃ প্যাটার্ন, হিস্টরি এন্ড হাইব্রিডিটি’ ৬ নামে একটি বই। ভারতের চারটি প্রধান ভাষায় কল্পবিজ্ঞানের ইতিহাস লিখতে গিয়ে লেখক বাংলায় ১৮৮৫ সালের ‘শুক্রভ্রমণ’ এবং ১৮৮৬ সালের ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’র পরে হিন্দিতে কেশব প্রসাদ সিংহের ‘চন্দ্রালোক কি যাত্রা’র পরেই ১৯০৫ সালের ‘সুলতানা’স ড্রিম’কে স্থান দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, গল্পটি নিয়ে বইতে তিনি প্রায় দেড় পৃষ্ঠার একটি আলোচনাও করেছেন।

আমার লেখাটি প্রকাশের মাত্র এক বছরের ব্যবধানেই এখন গুগল-অন্তর্জালে খোঁজ করলে কল্পবিজ্ঞান হিসেবে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর অনেক ওয়েবসাইটেরই খোঁজ পাওয়া যায়। এমনকি রোকেয়ার পরিচিতি দিতে গিয়ে কোনো উদ্ধৃতি ছাড়াই উইকিপিডিয়ার বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণেও তাঁকে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীকার লেখা হয়। ধারণা করি গত দেড় বছরে পাঠকদের আগ্রহ সৃষ্টির ফলে অন্তর্জালে অধিক সংখ্যক লোক এই লেখিকা ও তাঁর সাহিত্যকর্মের অনুসন্ধান করা শুরু করেছেন। ফলে পূর্বে আগোচরে থাকা তথ্যগুলো এখন বেরিয়ে আসছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে গুগলে পাঠকরা যে তথ্যটি সর্বাধিক অনুসন্ধান করেন, খোঁজ করলে সেটিই প্রথমে উঠে আসে। বাকিগুলো অগোচরেই রয়ে যায়।সুলতানা’স ড্রিম গল্পটি যে আসলেই একটি কল্পবিজ্ঞান তা এই সূত্রগুলোর কেউ কেউ ইংরেজিতে অনূদিত ও ২০০৫ সালে প্রকাশিত ‘সুলতানাস ড্রিম এন্ড পদ্মরাগ’ ৭ একটি বইতে উল্লেখ করা হয়েছে বলে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেন। আসলে ২০২২ সালের একই অনুবাদের দ্বিতীয় সংস্করণে তানিয়া আগাথোসেলাস নামে নিউইয়র্কের এক অধ্যাপকের একটি ভূমিকায় গল্পটিকে কল্পবিজ্ঞান বলা হয়েছে ৮ । তা থেকেই এই ভ্রান্তির সূত্রপাত। একইভাবে রওশন জাহান অনূদিত ও সম্পাদিত এবং ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত বইয়েও ৯ সুলতানা’স ড্রিমকে কল্পবিজ্ঞান বলা হয়েছে বলে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়। তবে বিলাতের দি গার্ডিয়ান পত্রিকার এক নিবন্ধ ১০* থেকে ধারণা করা যায় যে ভারতবর্ষের বাইরে ২০০৯ সালেই বিজ্ঞান কল্পকাহিনী হিসেবে ‘সুলতানা’স ড্রিম’ এর পরিচিতি ছিল। একই ভাবে, ২০১৯ সালে টমাস লুইস নামে বিজ্ঞান বিষয়ের এক ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক অন্যান্য অনেক অগ্রগণ্য বিষয়ের সাথে ‘সুলতানা’স ড্রিম’কে ‘নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান’ বলে অভিহিত করেছেন। ১১ এইসব প্রাপ্ত তথ্য বিবেচনা থেকে বলা যায় যে ২০০৯ সালের আগে সুলতনা’স ড্রিম বা সুলতানার স্বপ্নকে কেউ বিজ্ঞান কল্পকাহিনী বলে সনাক্ত করেননি।

কিন্তু বর্তমান অনুসন্ধানে পাওয়া আমি পাশ্চাত্যের যে বইটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি, তা হচ্ছে ‘দি বিগ বুক অব সাইন্স ফিকশন’ ১২। বইটির সম্পাদক এ্যন এবং জেফ ভ্যান্ডারমিয়ার। 

বিভিন্ন পুরষ্কারে ভূষিত এন ভ্যান্ডারমিয়ার একজন মার্কিন প্রকাশক ও সম্পাদক। তিনি ‘উইয়ার্ড টেইলস’ বা ‘ভুতুড়ে গল্প’ নামের ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবেই বেশি পরিচিত। তাঁর স্বামী এবং মার্কিন লেখক জেফ ভ্যান্ডারমিয়ারও একজন সম্পাদক ও সাহিত্য সমালোচক। তিনিও বিভিন্ন ভুতুড়ে বা গা ছমছম করা বিখ্যাত গল্প ও উপন্যাসের জনক, যার অন্ততঃ একটিকে সিনেমায় রূপ দেয়া হয়েছে। সাহিত্যে তাদের বিচরণ ভূতুড়ে বা বিভীষিকাময় শোনালেও এর অনেকটাই বিজ্ঞান-নির্ভর কাল্পনিক ও রহস্যের জগত। এই স্বামী-স্ত্রী যুগল এ ধরণের অন্ততঃ ১৫টি বই সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছেন। তাদের সম্পাদিত ও বিখ্যাত ‘দি বিগ বুক অব সাইন্স-ফিকশন’ নামের ১১৭৮ পৃষ্ঠার বিশাল সংকলন বইটিই আমাদের আলোচ্য। সংকলনটিতে তাঁরা প্রায় ৩৫ পৃষ্ঠার (বাংলাদেশে প্রকাশনার মাপকাঠিতে) একটি ভূমিকাও জুড়ে দিয়েছেন।

ভূমিকায় তাঁরা লিখেছেন যে সত্যিকার অর্থে এখন পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রভাব ও গুরুত্বের আলোকে বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর মতো সাহিত্যের গতিশীল একটি ধারা নিয়ে খুব কমই সঙ্কলন (এন্থলজি) বেরিয়েছে। তদুপরি যা প্রকাশিত হয়েছে তা আমেরিকা, বিলাত এবং ইংরেজি ভাষা-নির্ভর ছিল। ফলে সেগুলো কোনোভাবেই বৈশ্বিক কল্পবিজ্ঞানের মাপকাঠি নয়। এই কারণে তাঁরা শতাধিক বছরে পৃথিবীর ২৫টি দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত কল্পবিজ্ঞানকে বর্তমানে প্রচলিত ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করিয়েছেন। ঠিক এই কাজটিই করতে গিয়ে পুরো বিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের পঁচিশটি দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত গল্প বেছে বেছে ‘দি বিগ বুক অব সাইন্স-ফিকশন’এ অন্তর্ভুক্তি পেয়েছে।

ভূমিকায় তাঁরা আরো বলছেন, কল্পবিজ্ঞান আমাদের যুদ্ধ এবং সংস্কারমুক্ত বা নিরপেক্ষ ভবিষ্যৎ গড়ার দিব্যদৃষ্টি বা স্বপ্ন দেখার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে নৈরাশ্যবাদী হলেও কল্পবিজ্ঞানেরই একটি প্রশাখা, ডিস্টোপিয়া, কাল্পনিক রাষ্ট্রে একনায়কত্বের ফলে অবিচার ও নাগরিক দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে। এভাবে সাহিত্যের এই দুটি ধারাই ভবিষ্যতের জন্য আমাদের আশাবাদী ও সাবধান করে তোলে এবং ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেয়। আলোচ্য এন্থলোজি বা সংকলনে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে সম্পাদকরা যে দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তা হচ্ছে গল্পে ভবিষ্যতমুখীতা এবং তা সমাজ বা পৃথিবীর জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ। আরো একটি বিষয় যার ওপর তাঁরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তা হচ্ছে গল্পের বিষয়ের যৌক্তিকতা, ইংরেজিতে যাকে ‘ফেবল অব রিযন’ বলা হয়। ভূমিকার এই আলোচনায় বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানা’স ড্রিম’কে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সময়ের সাথে সাথে লেখালেখির পরিমাণ যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, কল্পবিজ্ঞানের সংজ্ঞার ও শাখা-প্রশাখারও বিস্তার ঘটেছে। এর অনেককিছু আলোচনার পর সম্পাদকদ্বয় বিভিন্ন দেশ ও ভাষায় শতাধিক বছরে প্রকাশিত কয়েক হাজার গল্প-উপন্যাস থেকে ভবিষ্যতমুখীতা, গুরুত্ব এবং যৌক্তিকতার বিচারে কল্পবিজ্ঞানের দশটিরও বেশি প্রশাখা থেকে সময়ের ক্রমানুসারে শ্রেষ্ঠ গল্প বা উপন্যাসগুলোকে নির্বাচন করেছেন। ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত ইংরেজ লেখক এইচ জি ওয়েলস-এর ছোটগল্প ‘দি স্টার’ দিয়ে শুরু করে ২০০২ সালে ফিনিশ লেখক জোহানা সিনিসালো প্রণীত ‘বেবি ডল’ পর্যন্ত মধ্যবর্তী ১০৫ বছরে মোট ১০৫টি বিজ্ঞান কল্পকাহিনীকে শ্রেষ্ঠতম বিবেচনা করেছেন। এই ১০৫টির মাঝে ১৯০৫ সালে প্রকাশিত বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানা’স ড্রিম’ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আছে। অর্থাৎ বেগম রোকেয়ার গল্পটি বিশ্বসাহিত্যের কল্পবিজ্ঞান শাখায় পথিকৃত বলে বিবেচিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র

১. রোকেয়া-জীবনী, শামসুন নাহার (১৯৩৭), বুলবুল পাবলিশিং হাউজ, কলিকাতা ২০২২ সালের ১০ই ডিসেম্বরে সর্বশেষ পঠিত বা নামানো (ডাউনলোড-কৃত)

২. Eric McMillan, Editor Eric's What Is Science Fiction? The Greatest Literature of All Times -, ২০২১ What Is Science Fiction? - The Greatest Literature of All Time (editoreric.com) ২০২১ সালের ৩১শে ডিসেম্বরে সর্বশেষ পঠিত বা নামান (ডাউনলোড)।

৩. বেগম রোকেয়া: বাংলা ভাষায় প্রথম কল্পবিজ্ঞান লেখক, আশরাফ আহমেদ, (২০২২) বিডিনিউজ২৪ডটকম এর আর্টস বিভাগ ৬ই এপ্রিল, ২০২২

৪. আমি কার বাবা রে, আমি কার খালু রে, আশরাফ আহমেদ (২০০৯), মাসিক ‘পড়শী’র সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০০৯ সংখ্যা (সম্পাদক মাহমুদুল হাসান), যোগাযোগ ইন্টারন্যাশনাল, ফ্রিমোন্ট, ক্যালিফোর্নিয়া

৫. বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানার স্বপ্ন’ একটি আদর্শ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, আশরাফ আহমেদ (২০২২), বিডিনিউজ২৪ডটকম এর আর্টস বিভাগ ১১ই জানুয়ারি, ২০২২ https://bangla.bdnews24.com/arts/archives/35478

৬. ইন্ডিয়ান সাইন্স ফিকশন: প্যাটার্ন, হিস্টরি এন্ড হাইব্রিডিটি, সুপার্নো ব্যানার্জি, ২০২০, নিউ ডাইমেন্সনস ইন সাইন্স ফিকশন সিরিজ, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস প্রেস, ইউনাইটেড কিংডম

৭. রোকেয়া শাখাওয়াত হোসেন, সুলতানা’স ড্রিম এন্ড পদ্মরাগ, বর্ণিতা বাগচি, ২০০৫, পেঙ্গুইন বুকস, ইন্ডিয়া

৮. রোকেয়া হোসেন, সুলতানা’স ড্রিম এন্ড পদ্মরাগ, বর্ণিতা বাগচি, ২০২২, পেঙ্গুইন বুকস, ইন্ডিয়া

৯. সুলতানা’স ড্রিম, এ ফেমিনিস্ট ইউটোপিয়া, রওশন জাহান, ১৯৯৮, দি ফেমিনিস্ট প্রেস, নিউইয়র্ক Sultana's Dream and Selections from The Secluded Ones - Rokeẏā (Begama), Rokeya Sakhawat Hossain, Hanna Papanek - Google Books

১০. What happened to Arab science fiction? Nesrine Malik (২০০৯), ২০২৩ সালে ১লা জানুয়ারি নামানো বা ডাউনলোডকৃত।

১১. Feminist Visions of Science and Utopia in Rokeya Sakhawat Hossain’s ‘Sultana’s Dream’ — Lady Science, থমাস লিউটন, ২০২২ সালের ৩০শে জুন নামানো বা ডাউনলোডকৃত।

১২. দি বিগ বুক অব সাইন্স ফিকশন, এন এন্ড জেফ ভ্যান্ডেরমিয়ার, ২০১৬, ভিন্টেজ বুকস, নিউইয়র্ক

*এই তথ্য দুটো আমার দৃষ্টিতে আনার জন্য যথাক্রমে আলমগীর খান ও জুনায়েদ মুজতবাকে কৃতজ্ঞতা জানাই।