Published : 26 Jan 2026, 09:12 PM
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি সভায় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এজন্য জামায়াতে ইসলামীকে দায়ি করেছেন দলের এক নেতা।
সোমবার সন্ধ্যায় বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পরপর দুটি ককটেল ছুড়ে দিয়ে পালিয়ে যান পাঁচ-জন ব্যক্তি। এগুলো বিস্ফোরিত হলেও কারও আহত হওয়ার তথ্য মেলেনি।
এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের কাছে নির্বাচনি জনসভা চলছিল। সন্ধ্যা ৬টার দিকে এরশাদ উল্লাহ বক্তব্য দেওয়ার সময় সমাবেশের অদূরে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। তবে কেউ আহত হয়নি।
এ ঘটনার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে দায়ি করে তিনি বলেন, “ওই এলাকায় এরফান নামে জামায়াতের এক কর্মী আছে। তার নেতৃত্বে আরও পাঁচ/ছয়জন মিলে পরপর দুইটি ককটেল নিক্ষেপ করে।”
তার দাবি, তারা হামলাকারী এরফানকে চিনেছেন। তাদের দলীয় কর্মীরা ককটেল নিক্ষেপকারীদের ধাওয়া করলে হামলাকারীরা পাশ্ববর্তী বাড়ির বাগিচার ভেতরে পালিয়ে যায়।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে এ আসন থেকে সরে যাওয়া জামায়াতের প্রার্থী আবু নাছেরের প্রধান নির্বাচনি সমন্বয়কারী মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “জামায়াত ককটেল ফোটানোর রাজনীতি করে না। যারা এ ধরনের অভিযোগ করছে তাদের উচিত সুস্পষ্ট তথ্য দেওয়া। আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।”
যদি তথ্য দিতে না পারে তাহলে এ ধরনের অভিযোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিন্যি।
চট্টগ্রামের এ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটরি আবু নাছের। পরে জামায়াত জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফের সর্মথনে তিনি সরে দাঁড়ান।
বোয়ালখালী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রার্থীর কাছ থেকে এ ঘটনা জানার পর ঘটনাস্থলে যাচ্ছে পুলিশ।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর নগরীর বায়েজিদ চালিতাতলী এলাকায় এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি গণসংযোগে গুলি করা হয়। এতে নিহত হন চট্টগ্রামে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা। সেদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন এরশাদ উল্লাহ।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা ও সিটি করপোরেশেনের ৩-৮ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসন।