Published : 09 Feb 2026, 12:58 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহে ১১টি সংসদীয় আসন। এরমধ্যে নয়টি আসনেই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের প্রার্থীর ঘুম হারাম করে ছেড়েছেন। তবে, সব জায়গায় বিদ্রোহের মাত্রা সমান নয়।
অপরদিকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাও ‘বিদ্রোহ’ করে বসেছেন। যেটি জামায়াত প্রার্থীকে ভাবাচ্ছে।
এর বাইরে দুটি আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে তুমুল লড়াই হবে ধানের শীষের প্রার্থীদের। জামায়াতের প্রচারের কৌশল, নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীর কারণে জয়-পরাজয়ের জটিল সমীকরণের মধ্যে পড়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা।
ময়মনসিংহ-১: ‘বিদ্রোহীর’ চ্যালেঞ্জ
হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা সালমান ওমর রুবেল জোর প্রচার চালানোয় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

রুবেলের বড় শক্তি দুর্দিনে মানুষের পাশে থেকে চিকিৎসাসহ নানা ধরনের সহযোগিতা করা। যদিও সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধানের শীষ প্রতীককে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দেখছেন।
এ আসনে আরও চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. তাজুল ইসলাম (রিক্সা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. আ. রাজ্জাক (কাঁচি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আজহারুল ইসলাম (কাস্তে) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জিল্লুর রহমান (হাতপাখা)।
এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭১২ জন।
ময়মনসিংহ-২: সমীকরণ জটিল
ফুলপুর-তারাকান্দা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ্ শহীদ সারোয়ার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। একটি হত্যা মামলায় জেলে থাকায় অবস্থাতেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন।

এই আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে মোতাহার হোসেন তালুকদারকে। তবে গত ১ ফেব্রুয়ারি সারোয়ার জামিনে বের হলে তার ঘোড়া প্রতীকে জোয়ার ওঠে। ফলে জটিল হয়ে ওঠে ভোটের সমীকরণ।
ফুলপুর বাজারের ব্যবসায়ী হামিদ খান বলেন, সারোয়ারের বাড়ি ফুলপুর হওয়ায় এখানে তিনি একচেটিয়া ভোট পাবেন। মোতাহারের বাড়ি তারাকান্দায়। তিনি সেখানে ভাল ভোট পাবেন। কিন্তু তারাকান্দায় ঘোড়াও ভোটে ভাগ বসাবে।
তাদের ছাড়াও ভোটের মাঠে আরও পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. এমদাদুল হক খান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. জুলহাস উদ্দিন শেখ (একতারা), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদুল্লাহ (রিকশা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মাওলা ভূইয়া (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক (কলস)।
এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৭ জন।
ময়মনসিংহ-৩: প্রচারে এগিয়ে ‘বিদ্রোহী’
গৌরীপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির দুঃসময়ে হামলা-মামলায় জেল খেটেও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরন। পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও ঘোড়া প্রতীকে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।
এখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন।

এ আসনের ভোটার আল-আমিন হোসেন বলেন, “দল প্রার্থী নির্ধারণে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই প্রচারে তুঙ্গে রয়েছে ঘোড়া। তবে ভোটের হিসাব এখনই মেলানো খুব কঠিন।”
এখানে আরও তিন প্রার্থী ভোটের প্রচারে রয়েছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এ কে এম আরিফুল হাসান (কাঁচি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শরিফুল ইসলাম (হাতপাখা) ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. আবু তাহের খান (বই)।
এখানে ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৮ জন।

ময়মনসিংহ-৪: লড়াই ধানের শীষ-দাঁড়িপাল্লার
সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই আসনে ধানের শীষ নিয়ে বিরামহীন প্রচারে আছেন বিভাগীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
তবে ছাড় দিয়ে কথা বলছেন না জোটের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রচার বৃদ্ধি করে ভোটারদের মন আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
বোররচর গ্রামের কৃষক শহীদুল ইসলাম বলেন, “ফজর নামাজ পড়েই জামায়াতের কর্মী- সমর্থকরা প্রচার শুরু করেন। মানুষ বলছে, আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখছি। কিন্তু জামায়াতকে দেখিনি। এবার কী হয় বলাও যাচ্ছে না।”
এই দুজন ছাড়া আরও সাতজন প্রার্থী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন (হাতপাখা), গণসংহতি আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান (মাথাল), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির এমদাদুল হক মিল্লাত (কাস্তে), জাতীয় পার্টির আবু মো. মুসা সরকার (লাঙ্গল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) শেখর কুমার রায় (কাঁচি), মো. বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির লিয়াকত আলী (একতারা) এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. হামিদুল ইসলাম (আম)।
এ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০৬ জন।

ময়মনসিংহ-৫: বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
মুক্তাগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।
এই দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা নিজেদের গুণগান গেয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথা জানিয়ে ভোটাররা সৎ-যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে চান।
ধানের শীষের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু বলেন, ভোট কারচুপির ষড়যন্ত্রের আশঙ্কায় রয়েছে সাধারণ ভোটাররা। মানুষ ধানের শীষের বাইরে যাবে না।
অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ রুখতে মানুষ দাঁড়িপাল্লাকে বেছে নেবে।

প্রচারে মাঠে দেখা গেছে আরও তিন প্রার্থীকে। তারা হলেন- গণসংহতি আন্দোলনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (মাথাল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. রফিকুল ইসলাম (ঈগল)।
এখানে ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৭ জন।
ময়মনসিংহ-৬: মূল লড়াই চার প্রার্থীর
ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নিয়ে গড়া আসনটিতে বিএনপি এবং জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম। এ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শামছ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী আখতার সুলতানা মাঠে আলোচনায় রয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসানের পাশাপাশি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রচারে ঝড় তুলেছেন জামায়াতের বহিষ্কৃত নেতা জসিম উদ্দিন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শারমিন নাহার বলেন, “চার প্রার্থীকে ঘিরেই মূলত নির্বাচন। তবে যেই পাশ করুক ভোটের ব্যবধান খুব বেশি একটা হবে না।”

এ ছাড়া ভোটের মাঠে আরও একজন প্রার্থী রয়েছেন। তিনি হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুরে আলম সিদ্দিকী (হাতপাখা)।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ৯২৭।
ময়মনসিংহ-৭: বিএনপি ও ‘বিদ্রোহী’র লড়াই
ত্রিশাল উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক সরকারের ছেলে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত। তিনি কাপ পিরিচ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
গত উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়া সাদাত বলেন, “চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার কয়েকদিন পরেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে ক্ষমতায় বসা হয়নি। তাই জনগণ এবারও ভোট দিয়ে আমাকে তাদের খেদমত করার সুযোগ দেবে।”
তবে তার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ করেন তিনি।
তাদের ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে রয়েছেন আরও চার প্রার্থী। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আছাদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র মো. জয়নাল আবদীন (মোটর সাইকেল)।
এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩ হাজার ২৪৯ জন।
ময়মনসিংহ-৮: ধানের শীষ ‘শক্তিশালী’
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ নুরুল কবির শাহীন মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দল থেকে পদত্যাগ করে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হয়ে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন। এখানে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপির অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল।
এখানকার ভোটাররা বলেন, মাজেদ বাবু এলাকায় দানশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার বাইরে মানুষের চিন্তাভাবনা খুব বেশি হবে না।

এই তিনজন ছাড়া ভোটের মাঠে রয়েছেন আরও এক প্রার্থী। তিনি জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম (লাঙ্গল)।
এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৯ জন।
ময়মনসিংহ-৯: চাচী-ভাতিজার ‘দ্বৈরথ’
নান্দাইল উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ধানের শীষের প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী তার চাচী হাঁস প্রতীকের হাসিনা খান চৌধুরী।
হাসিনা খান চৌধুরী চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। তাদের নিজস্ব একটি ‘ভোট ব্যাংক’ রয়েছে। দুই প্রার্থীর প্রচার চলছে সমানে সমান।
হাসিনা খান চৌধুরী বলেন, “শুধু মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে প্রার্থী হয়েছি। আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই।”
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “দলীয় নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে রয়েছে। মানুষ স্বতন্ত্র কাউকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন না।”
এখানে আরও চার প্রার্থী প্রচারের মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাঈদুর রহমান (হাতপাখা), গণফোরামের মো. লতিফুল বারী (হামিম) (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম (ফুলকপি) এবং জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ (লাঙ্গল)।
এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬৪১ জন।

ময়মনসিংহ-১০: বিএনপি বনাম ‘বিদ্রোহী’
গফরগাঁও উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। তার শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হাঁস প্রতীকের আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান। তিনি জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এখানে আরও সাতজন প্রার্থী মাঠে থাকলেও ভোটাররা বলছেন, এই দুজনের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
অন্য প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মো. সাইফুস সালেহীন (কাস্তে), জাতীয় পার্টির মো. আল আমিন (সোহান) (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ইসমাঈল (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের এ কে এম শামসুল আলম (মাথাল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হাবিবুল্লাহ বেলালী (হাতপাখা), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সৈয়দ মাহমুদ মোরশেদ (ছাতা) এবং স্বতন্ত্র মো. মতিউর রহমান (ফুটবল)।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৩৬৪ জন।

ময়মনসিংহ-১১: আলোচনার তুঙ্গে স্বতন্ত্র
ভালুকা উপজেলার এ আসনটিতে ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়ার পর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তাল হয়ে ওঠে স্থানীয় রাজনীতি।
হরিণ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মুহাম্মদ মোর্শেদুল আলম। দানশীল নেতা হিসেবে মানুষের কাছে সুপরিচিত এ প্রার্থী ভোটের আলোচনার তুঙ্গে রয়েছেন।
হবিরবাড়ি এলাকার ভোটার আজহারুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি ইউনিয়নে হরিণ প্রতীকে একচেটিয়া ভোট আসবে। দিন দিন হরিণের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু বলেন, “যে যত কথাই বলুক না কেন, মানুষের আস্থা তারেক রহমানে। ধানের শীষ জোয়ারে ভাসছে। বিজয় আমাদেরই হবে।”
এ আসনে প্রচারে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী ডা. জাহেদুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯ জন।