ঢাকা-১: জিততে হবে ‘নিজের জোরে’

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নৌকার আবদুল মান্নান খানকে হারিয়ে গতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী নন সালমা ইসলাম।

ফয়সাল আতিকতাবারুল হক ওবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Dec 2018, 06:50 PM
Updated : 14 Dec 2018, 07:03 PM

নৌকা প্রতীকে সালমান এফ রহমান ভোটের লড়াইয়ে নামলেও প্রচারে এখনও পাশে পাননি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানকে।

বিএনপির হয়ে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার লড়াইয়ে নামা খোন্দকার আবু আশফাকের পক্ষেও এখনও প্রচারে নামেননি ধানের শীষের একাধিকবারের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান।

গোটা নবাবগঞ্জ উপজেলা এবং দোহার উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসন ঘুরে বুধবার এই চিত্রের দেখাই মিলেছে। স্থানীয়রা বলছেন, আসনটিতে যেই জিতবে, তাকে নিজের ‘ইমেজ’ দিয়েই বিজয়ী হয়ে আসতে হবে।

ধনাঢ্য দুই প্রার্থীর কারণে ইতোমধ্যে আলোচনায় ঢাকার এই আসনটি; তাদের দুজনের সঙ্গে দুই বারের উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাকও উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। প্রার্থী বেছে নেওয়া নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ভোটাররাও।

ঢাকা-১ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি; প্রতিবারই এমপি হন আব্দুল মান্নান। বরাবর বড় ব্যবধানে জয়ী হলেও ২০০১ সালে তার সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন ব্যবসায়ী নূর আলী।

আসন সীমানা বদলে দোহারের কিছু অংশ যোগ হওয়ার পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মান্নান খান আসনটি কব্জায় নিয়েছিলেন ধানের শীষের মান্নানকে হারিয়ে; কিন্তু রাখতে পারেননি।

২০১৪ সালে বিএনপিবিহীন নির্বাচনেও এই আসনটিতে উত্তাপ ছড়িয়েছিল মহাজোটের দুই শরিক আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেবার লাঙ্গলের কাছে হার মানতে হয়েছিল নৌকাকে। ওই হারে দল থেকেও প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছেন মান্নান খান।

সালমা ইসলাম যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী; যুগান্তর, যমুনা টিভির মালিকানা তাদেরই। জাতীয় পার্টি এবার আসনটি আওয়ামী লীগকে ছেড়ে দিলেও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সালমা হাল ছাড়েননি, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়াইয়ে থেকে গেছেন।

সালমার প্রতিদ্বন্দ্বী সালমান বেক্সিমকো গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার; তার মালিকানায় রয়েছে ইংরেজি দৈনিক দ্য ইনডিপেনডেন্ট ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান নৌকা প্রতীকে এর আগেও একবার ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন; তবে সেবার তাকে হারতে হয়েছিল। 

২০০১ সালের ওই নির্বাচন অবশ্য সালমান করেছিলেন ঢাকা-২ (দোহার) আসন থেকে; এবার তিনি ঢাকা-১ এ এসেছেন, যেখানে বেশিরভাগ এলাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার।

চার লাখ ৪০ হাজারের বেশি ভোটারের এ আসনে এবার প্রার্থী আছেন মোট আটজন। তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানের নৌকা আর আবু আশফাকের ধানের শীষের সঙ্গে সালমার মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়েই চলছে মূল আলোচনা।

এছাড়া কাস্তে প্রতীক নিয়ে সিপিবির আবিদ হোসেন, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের কামাল হোসেন, কুলা প্রতীক নিয়ে বিকল্প ধারার জালাল উদ্দিন, গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে জাকের পার্টির শামসুদ্দিন আহমদ এবং কোদাল প্রতীক নিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সিকান্দার হোসেনও ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।  

স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলামের মার্কা এবার মোটর গাড়ি

ভোটের অংক

নবাবগঞ্জের ভোটাররা ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনেই ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করেছেন। প্রতিবারই বিএনপি প্রার্থীরা ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ২০০১ সালে দোহারে বিজয়ী ধানের শীষের প্রার্থীও একই রকম ভোট পেয়েছিলেন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবাবগঞ্জ ও দোহার যুক্ত করে ঢাকা-১ আসন গঠিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। পরের বার অর্থাৎ ২০১৪ সালে বিএনপিবিহীন নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল পায় ৫২ শতাংশ ভোট। 

৩০ ডিসেম্বর কাকে বেছে নেবেন দোহা- নবাবগঞ্জ? এলাকার পুরনো রাজনীতিবিদরা মনে করছেন, উত্তর খুঁজে পাওয়া সহজ হবে না।

দীর্ঘ ২২ বছর দোহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পর ১৮ বছর ধরে পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন হাজি আব্দুর রহিম মিয়া। স্থানীয় এই বিএনপি নেতা এখন রাজনীতিতে ততটা সক্রিয় নন, তবে নির্বাচনের খোঁজ খবর রাখছেন।

তার বিচারে, জাতীয় নির্বাচনের প্রচার যতটা জোরালো হওয়ার কথা প্রধান তিন প্রার্থীর কারও ক্ষেত্রে এবার প্রচার ততটা জোরালো হচ্ছে না। বিএনপি বা আওয়ামী লীগের এবারের প্রার্থীরা স্থানীয় প্রবীণ নেতাদের প্রচারে আনতে পারেননি। সেদিক থেকে দেখলে গত পাঁচ বছর সাংসদের দায়িত্বে থাকা সালমা ইসলাম প্রচরে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন।

আব্দুর রহিমের ধারণা, নির্বাচনের দৌড়ে এই তিন প্রার্থীর কে এগিয়ে আছেন- তা স্পষ্ট হতে শুরু করবে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে।

দোহার পৌরসভার আরেক জনপ্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নৌকা প্রতীকের সালমান সাহেব কিছু ইয়াং নেতাকর্মী নিয়ে প্রচার চালালেও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মন গলাতে পারেননি। নেতাকর্মীরা সামনে তাকে জেতাতে কাজ করার কথা বললেও সবার মধ্যে সেই আন্তরিকতা সেভাবে নেই।”

সালমান এ সমস্যা কাটাতে না পারলে সালমা কিংবা আশফাক লাভবান হতে পারেন বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত এই জনপ্রতিনিধি।

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মান্নান খান সাহেব কিংবা উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব সাহেবকে কিন্তু আপনারা নির্বাচনী প্রচারে দেখবেন না। দোহার পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে দুইজন মারা গেছেন। বাকি যে ১০ জন আছেন তার মধ্যে দুইজন সক্রিয়ভাবে সালমানের পক্ষে কাজ করছেন। বাকিরা আছেন ধরি মাছ না ছুঁই পানির মত। এবার পরিস্থিতিটা বুঝে নেন।”

সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি এবার ঢাকা-১ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন সাবেক সাংসদ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহ-সম্পাদক নূরে আলম উজ্জ্বলসহ বেশ কয়েকজন। নৌকার বৈঠা সালমানের হাতে যাওয়ায় এখন আর বাকিদের দলীয় প্রচারে দেখা যাচ্ছে না। 

একইভাবে ধানের শীষ পেয়ে ভোটে নামা আবু আশফাকও বিএনপির সাবেক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে পাশে পাননি এখনও। মান্নানের মেয়ে মেহনাজ মান্নানও এবার ধানের শীষের দাবিদার ছিলেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, “দোহার-নবাবগঞ্জের মাটি বিএনপির ঘাঁটি- একটা সময় এটা খুব বলা হত। কিন্তু সময়ে সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এখন দুই ভাগে বিভক্ত। বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ রয়েছে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে, অন্য অংশ গেছে আশফাকের সঙ্গে।”

অবশ্য দলীয় বিভাজনের চেয়ে ‘প্রশাসনের বাধাই’ আশফাকের জ্যন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন পৌর মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া।

“আওয়ামী লীগ প্রশাসনের অধীনে দুটি নির্বাচনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়ে আশফাক তার জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছে ন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের বাধা ডিঙিয়ে তিনি কতটুকু টিকতে পারবেন সেটাই দেখার বিষয়। আশফাক কোনো কারণে পিছিয়ে পড়লে তার ভোট নৌকায় না গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমার বাক্সে যেতে পারে।”

এবার নৌকার প্রার্থী সালমান

ভাবমূর্তি

দোহারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. সিরাজ নৌকার সমর্থক। বড় ব্যবসায়ী হিসেবে সালমান এফ রহমানের ভাবভূর্তি তার কাছে যথেষ্ট উজ্জ্বল। ফলে তার বিবেচনায় সালমানই এগিয়ে থাকছেন। 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে সিরাজ বলেন, “এইবার নৌকা মার্কা পাস করবে। সালমান এফ রহমান সারাদেশে একজন পরিচিত মানুষ, তার মত ব্যক্তিকে যদি আমরা পাস করাতে পারি তাহলে এলাকার উন্নয়ন বেশি হবে।”

দোহারের পালামগঞ্জ বাজারে ২৫ বছর ধরে চা বিক্রি করে আসা মিজানুর রহমানও নৌকা নিয়ে আলোচনা দেখছেন বেশ। তবে মানুষের মনের কথা আর মুখের বুলি নিয়ে তার সংশয় আছে। তার ভাষায়, কার মনে কী সেটা ‘ভেতরের ব্যাপার’।

নবাবগঞ্জের বারুলিয়া বাজারের ৮০ বছরের বৃদ্ধ চাঁন মিয়া বলেন, সালমান আগে দোহার থেকে ভোট করে হেরেছিলেন। এবার তিনি তিনি নবাবগঞ্জের ভোটও পাবেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সালমানের নৌকাই জিতবে বলে তার বিশ্বাস।

আর বারুলিয়া বাজারের পিঠা বিক্রেতা শাবানা বেগম বলেন, “এলাকার মতিগতি কিছু কউন যা না। কে কোন দিক দিয়া নির্বাচিত হয় সেইটা এখন বলা কঠিন। তিন জনের নামই তো শুনি। যেই জিতুক, কোনো গ্যাঞ্জাম ছাড়া নির্বাচিত হোক, এইটা আমরা সবাই চাই।”

ভোট দেওয়া সময় এলাকার উন্নয়নের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাবও ভোটাররা মাথায় রাখবেন বলে মনে করেন নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের উত্তর বালুখণ্ড এলাকার মো. মনির হোসেন।

তিনি বলেন, “আমাদের শোল্লার আটকাহনিয়া, উত্তর বালুখণ্ড, মহিষদিয়া, দত্তখণ্ড ও কুমুল্লি এলাকার রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। চলাচলে এ রাস্তায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আর বর্ষার সময় যে কী দুর্ভোগ, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ভোটের সময় সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়। বলে রাস্তা ঠিক করে দেবে, বালুখণ্ড আর পাতিলঝাপে কালিগঙ্গার ওপর সেতু বানিয়ে দেবে। ভোট পার হলে তো আর কেউ প্রতিশ্রুতি রাখে না।”

ধানের শীষের আশফাকের মাথা ব্যথা প্রশাসন

প্রার্থীর ভাবনা

আওয়ামী লীগ সভাপতির উপদেষ্টা সালমান তার নির্বাচনী সভাগুলোতে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন দেদার, সেই সঙ্গে গত পাঁচ বছরে এলাকার উন্নয়নের কৃতিত্বও নিজে দাবি করছেন। তবে দলের প্রতীকের চেয়ে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়েই তিনি ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টায় আছেন। 

বুধবার নবাবগঞ্জে এক পথসভায় তিনি বলেন, “আপনারা জানেন যে, আমি একজন সফল ব্যক্তি। আল্লাহ আমাকে অনেক বেশি দিয়েছে। প্রশ্নটা আসছে- আমি কেন এমপি হতে চাই? এটা ঠিক প্রশ্ন। আমি চাইলে আগেই এমপি হতে পারতাম। এখন কেন হতে যাচ্ছি? কেন আপনাদের কাছে ভোট চাচ্ছি?

“শেখ হাসিনার এত উন্নয়নের মধ্যে আমি দোহার-নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলায় পরিণত করতে চাই। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাকে চোখ বন্ধ করে টাকা দিয়ে দেবেন। এই সুযোগটা আমি পেয়েছি। উন্নয়ন করে দোহার-নবাবগঞ্জের চেহারা বদলে দিতে পারি।”

বর্তমান সাংসদ সালমা ইসলামও যে দলীয় মার্কার চেয়ে নিজের ভাবমূর্তিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন- সেটা তার ব্যক্তিগত সহকারী ইররানুল হক সুমনের কথায় স্পষ্ট।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে তিনি বলেন, “ব্যক্তি সালমা ইসলাম দলীয় সালমা ইসলামের চেয়ে অনেক বেশি আলোকিত, শক্তিশালী। এবার দলের মনোনয়ন না পেলেও ব্যক্তির কাজ ও পরিচিতির ওপর ভর করেই ভোটে দাঁড়িয়েছেন। দোহার-নবাবগঞ্জে জাতীয় পার্টির সংগঠনটা তার হাতেই গড়া। তাই সালমা ইসলাম স্বতন্ত্র দাঁড়ালেও জাতীয় পার্টির শতভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গে। জয়ের ব্যপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।”

গত পাঁচ বছর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় এলাকার ৭০ হাজার হিন্দু ভোটও সালমার বাক্সে যাবে বলে আশা করেছেন তার সহকারী।

প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে আসা আবু আশফাকের দল বিএনপি একটি কঠিন সময়ের মধ্যে যাচ্ছে। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে কর্মীদের বাধা দিচ্ছে এবং হয়রানি করছে বলে অভিযোগ ধানের শীষের এই প্রার্থীর।

“তবে আমরা নির্বাচন থেকে দূরে সরব না। যত বাধাই আসুক, আমরা নির্বাচন করব, বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রামও করব।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক