ভারতের মণিপুরে বন্দুকধারীদের গুলিতে ৩ গ্রামবাসী নিহত
সমতলে বসবাস করা সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের আদিবাসীর মর্যাদা দেওয়ার পক্ষে একটি রুল জারি করার পর থেকে মণিপুরে জাতিগত দাঙ্গার সূত্রপাত হয়।
ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে সামরিক বাহিনীর পোশাক পরা বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত তিন গ্রামবাসী নিহত ও আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে।
ওই অঞ্চলজুড়ে চলা বিক্ষিপ্ত সহিংসতা মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
গত ৩ মে ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্য মণিপুরে প্রথম জাতিগত দাঙ্গার সূত্রপাত হয়। মূলত রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই জাতি এবং পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করা কুকিদের মধ্যে সংঘাত চলছে। দাঙ্গায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গৃহহীন হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
সমতলের উর্বর এলাকায় বসবাস করা মেইতেইদের আদিবাসীর মর্যাদা দেওয়ার পক্ষে একটি রুল জারি করা নিয়ে এই দাঙ্গার সূত্রপাত হয়।
সোমবার থৌবাল জেলার লিলং গ্রামে সর্বশেষ সহিংসতার ঘটনাটি ঘটে। সামরিক বাহিনীর পোশাক পরা একদল বন্দুকধারী স্থানীয়দের ওপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ করে।
মণিপুরের ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা ফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত হন। বিভিন্ন ধরনের জখম নিয়ে আরও পাঁচজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
ঘটনার পর থেকে হতাহতদের বা হামলাকারীদের কারও পরিচয় নিয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষ সোমবার রাত থেকে থৌবাল জেলার পাশাপাশি সংলগ্ন ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং ও বিষ্ণপুর জেলায় ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে।
মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী মণিপুর ভারতের সবচেয়ে ছোট রাজ্য। এর জনসংখ্যা ৩২ লাখ। এদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ মেইতেই ও ১৬ শতাংশ কুকি।
আরও পড়ুন:
