০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

নেপালে আবার হড়পা বানে ভেসে গেছে বাড়ি, সেতু

রাজধানী কাঠমান্ডুর পশ্চিমে গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে হঠাৎ একটি ভূমিধসের পর বুধি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান সৃষ্টি হয়।

নেপালে আবার হড়পা বানে ভেসে গেছে বাড়ি, সেতু

নেপালের বুধি গণ্ডকী নদীর প্লাবনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর দৃশ্য ড্রোনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 11 Oct 2026, 04:47 PM

Updated : 11 Oct 2026, 05:42 PM

নেপালের গণ্ডকী প্রদেশের পার্বত্য জেলা গোর্খায় এক হড়পা বানে ৩৫টিরও বেশি বাড়ি ও কয়েকটি সেতু ভেসে গেছে এবং একটি জলবিদ্যুৎ প্রকলপ্ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পশ্চিমে গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে হঠাৎ একটি ভূমিধসের পর বুধি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বান সৃষ্টি হয়।

নেপালের কর্তৃপক্ষ ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে এখনও কোনো হতহাতের খবর হয়নি।

হিমালায় অঞ্চলের দেশটিতে মাত্র দুই মাস আগে ভয়াবহ হড়পা বানের এক ঘটনায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই বুধি গণ্ডকী নদীটি ত্রিশূলী নদীর একটি উপনদী। ত্রিশূলী নদীটি পবর্ত থেকে নেমে আসা আরেকটি নদীর উপনদী আর ওই নদীটিতেই ২৬ অগাস্ট একটি হিমবাহ ধসে পড়ে ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি হয়, নিহত হয় অন্তত ১৪৫৭ জন আর নিখোঁজ হয় কয়েক হাজার মানুষ।

গোর্খা জেলার জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র বলেছেন, “আমরা নদীর উজানের দিকের বাসিন্দাদের সরে যেতে ও নিরাপদ থাকতে বলেছি।”

মিশ্র জানিয়েছেন, অন্তত ৩৫টি বাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু পানির তোড়ে ভেসে গেছে আর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে গোর্খা, তনহু, চিতাওয়ান, পূর্ব নওয়ালপরাসী, পশ্চিম নওয়ালপরাসী জেলার নদীর তীরের বাসিন্দাদের বন্যার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের উদ্ধারকারী বাহিনী ওই এলাকায় পৌঁছে গেছেন আর হেলিকপ্টার থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।