Published : 13 Feb 2025, 03:12 PM
এতদিন ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে একমাত্র মিশরের সঙ্গে রাফা ক্রসিং দিয়ে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেত গাজার ফিলিস্তিনিরা। গত মঙ্গলবার সেই রাফা ক্রসিংয়ের গাজা অংশের দখল নিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখান দিয়ে গাজায় ত্রাণ প্রবেশও বন্ধ করে দিয়েছে তারা।
গত ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ত্রাণ প্রবেশে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই রাফা ক্রসিং। ইসরায়েলি বাহিনী এই ক্রসিংয়ের দখল নেওয়াকে ‘অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলে বর্ণনা করেছে মিশর। দেশটির সরকার এখন রাফা ক্রসিং দিয়ে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় স্থাপনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
মিশরের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন স্টেশন আল কোয়াহেরা তে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার জন্য মিশর ইসরায়েলকে দায়ী মনে করে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
রাফা ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়ার আগে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাশের কেরেম শালম ক্রসিংও বন্ধ করে দিয়েছিল। রাফা ক্রসিং বন্ধ করার পর ইসরায়েল কেরেম শালম ক্রসিং খুলে দেওয়ার কথা বললেও সেখান দিয়ে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে।
জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, গাজার দক্ষিণের দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং রাফা এবং কেরেম শালম দিয়ে ত্রাণ প্রবেশ না করতে পারার মারাত্মক প্রভাব পড়বে ছোট্ট ওই ভূখণ্ডটিতে গাদাগাদি করে থাকা ২৩ লাখ ফিলিস্তিনির উপর। কারণ, বেঁচে থাকার জন্য খুব সামান্য উপাদানই তাদের হাতে অবশিষ্ট আছে।
মিশরে রেড ক্রিসেন্টের সূত্রে বলা হয়েছে, গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।