১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সোমালিয়ায় সেনাবাহিনীতে নিয়োগপ্রার্থীদের লাইনে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১০

হামলাকারী বিস্ফোরণটি ঘটানোর সময় কমবয়সী তরুণরা সামরিক ঘাঁটিটির ফটকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল।

সোমালিয়ায় সেনাবাহিনীতে নিয়োগপ্রার্থীদের লাইনে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১০
সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর একাংশ। ফাইল ছবি। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 May 2025, 06:36 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:44 PM

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে সেনাবাহিনীতে যুক্ত হতে ইচ্ছুকদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলার সময় নিয়োগপ্রার্থীদের লাইনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। 

রোববার দামানিয়ো সামরিক ঘাঁটিতে এ হামলা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

হামলাকারী বিস্ফোরণটি ঘটানোর সময় কমবয়সী তরুণরা ঘাঁটিটির ফটকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল। 

“আমি রাস্তার অপরপাশে ছিলাম। হঠাৎ একটি দ্রুতগতির টুকটুক (অটোরিক্সা) এসে থামে, এরপর এক লোক নেমে নিয়োগপ্রার্থীদের সারির দিকে দৌড়ে যান এবং তারপর নিজেকে উড়িয়ে দেন। ১০ জনকে মৃত দেখেছি আমি। এর মধ্যে নিয়োগপ্রার্থী ও পথচারীও রয়েছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে,” ঘটনার বর্ণনায় বলেছেন সুলেইমান নামের সামরিক বাহিনীর এক ক্যাপ্টেন।  

ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া কয়েক ডজন জুতা ও আত্মঘাতী বোমাবাজের দেহাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে, জানিয়েছে রয়টার্স। 

আবদিসালান মোহামেদ নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, বাসে করে জায়গাটি পার হওয়ার সময় তিনি সামরিক ঘাঁটির ফটকে কয়েকশ কমবয়সীকে দেখেছিলেন।

“হঠাৎ করে বিকট শব্দের বিস্ফোরণ হল এবং এলাকাটি ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেল। হতাহতের ব্যাপারটা দেখিনি আমরা,” বলেছেন তিনি। 

সামরিক হাসপাতালের কর্মীরা রয়টার্সকে বলেছেন, বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০ জনকে তাদের কাছে আনা হয়েছিল, তার মধ্যে ঘটনাস্থলেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। 

সরকারি বাহিনীর সদস্যরা পরে তড়িঘড়ি পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে।  

তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি, সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি।    

২০২৩ সালে দামানিয়োর খুব কাছে অবস্থিত জালে সিয়াদ ঘাঁটিতে একইরকম এক ঘটনায় আত্মঘাতী বোমাবাজ ২৫ সৈন্যকে হত্যা করেছিল। 

দামানিয়ো ঘাঁটিতে হামলার আগের দিন শনিবার হিরান অঞ্চলে ব্যাটেলিয়ন ২৬ এর কমান্ডার কর্নেল আবদিরহমান হুজালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। 

সরকারি বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীতে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব অনুসারীদের অনুপ্রবেশের ফলে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে।