যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার ভাষণে নতুন করে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেইনের প্রতি সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করবেন।
Published : 24 Sep 2024, 05:59 PM
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে শেষবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণে দেবেন জো বাইডেন। মঙ্গলবার এই ভাষণ দিতে বাইডেন এরই মধ্যে নিউ ইয়র্কে গেছেন।
ভাষণে তিনি নতুন করে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেইনের প্রতি সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করবেন। সুদানেও গৃহযুদ্ধ অবসানের ডাক দেবেন তিনি।
সাধারণ পরিষদে উপস্থিত থাকবে ১৩৪ টি দেশের প্রতিনিধিরা। তবে রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতারা সেখানে থাকবেন না। বাইডেন তার ভাষণে নিজ প্রশাসনের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোসহ জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরবেন।
বাইডেন প্রশাসন গাজায় যুদ্ধবিরতির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। ওদিকে, গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল-লোবানন আন্তসীমান্ত সংঘাত বাড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রতিরক্ষাদপ্তর পেন্টাগন সোমবার বলেছে, সতর্কতাস্বরূপ তারা মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি সেনাসদস্য পাঠাবে।
বাইডেনের প্রেসিডেন্সির আমল বৈদেশিক নীতির নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে আছে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন, গতবছর ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলা এবং তার পর হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধ।
ঊর্ধ্বতন এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেছেন, বাইডেন তার প্রেসিডেন্সির আমলে বড় যেসব অর্জন করতে পেরেছেন বলে মনে করেন সেগুলো সম্পর্কে জাতিসংঘ ভাষণে কথা বলার সুযোগ পাবেন। সেইসঙ্গে ইউক্রেইনকে সমর্থন দেওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাতে পারবেন।
বিশ্বের দেশগুলোর কীভাবে একজোট হয়ে বড় বড় সমস্যাগুলো সমাধান করা উচিত এবং জাতিসংঘ সনদের মতো মৌলিক নীতির সুরক্ষিত রাখা উচিত সে সম্পর্কে বাইডেন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি।