গাজার খান ইউনুসে স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১০
ওই এলাকায় লিফলেট ছেড়ে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছিল, সেখানে হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা।
গাজার খান ইউনুস শহরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় কেন্দ্রে পরিণত হওয়া একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসকরা।
বুধবার এই হামলার পর এলাকাবাসী রয়টার্সকে জানান, এর আগের দিন ইসরায়েল ওই এলাকায় লিফলেট ছড়িয়ে বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পশ্চিমে সরে যেতে বলে; এরপরই খান ইউনুসের কয়েকটি অংশে বিমান হামলা ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণ বাড়ায় ইসরায়েলি বাহিনী।
লিফলেটে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছিল, ওইসব এলাকায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চল থেকে পালিয়ে আসা নারী ও শিশুসহ বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ যে দু’টি তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেগুলোতে ইসরায়েলিরা ড্রোন হামলা চালায়।
হামাস-পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স সংস্থার এক চিকিৎসা কর্মী সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপে জানান, উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে দুই শিশুসহ আটজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত অন্তত ২০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, খান ইউনুসের কেন্দ্রস্থলীয় আল-আমাল এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে সম্প্রতি বহু মানুষ ওই স্কুলটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী ওই এলাকায়ও লিফলেট ফেলে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
রয়টার্স এ হামলায় ১০ জন নিহতের কথা জানালেও বিবিসি বলছে, ১২ নিহত হয়েছেন আর আল জাজিরা বলছে, স্কুলে চালানো এ হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
