২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্প

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে কোনও চুক্তি না হলে ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি।

জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি দিলেন ট্রাম্প

ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 23 Sep 2026, 12:49 AM

Updated : 23 Sep 2026, 12:49 AM

শান্তিচুক্তি না করলে ইরানে কঠোর হামলার হুমকি আগেও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এবার তেমনই হুমকি তিনি দিলেন জতিসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে কোনও চুক্তি না হলে ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি।

ট্রাম্প তার ভাষণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, তেহরানের সামনে এখন দু’টি পথ খোলা। চুক্তি করা নয়ত নতুন করে ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হওয়া।

তিনি বলেন, ‘‘এবার আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরানের সঙ্গে কি এমন কোনও চুক্তি হবে, যার মাধ্যমে দেশটি পুনর্গঠন হবে এবং অতীতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উন্নত দেশ হয়ে উঠতে পারবে? না কি আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেব এবং তা করব দ্রুত, যাতে তারা আর কখনওই হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালানোর সুযোগ না পায়?”

“আমি কি তাদের অস্তিত্বের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বা মহত্ত্বের কোনও আশা ছাড়া নরকে ঠেলে দেব?”

তবে আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে জানিয়ে ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস, নির্বাচনের ঠিক পরেই আমরা একটি চুক্তি করব। কারণ, চুক্তি না করার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ তাদের (ইরানের) নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনে আমি কেমন ফল করি, তারা সেটাই দেখার অপেক্ষা করছে।’’

ট্রাম্প একইসঙ্গে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে বাধ্য করার জন্য অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে দেশটিকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য দেশগুলোকেও যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্রাম্প আরও বলেন, “ভেনেজুয়েলায় আমাদের পদক্ষেপই প্রমাণ করে দিয়েছে পশ্চিম গোলার্ধের কোথাও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনও হুমকিকে আর শিকড় গাড়তে দেওয়া হবে না।”

ওদিকে অধিবেশন চলাকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে ইরান সরকারবিরোধী শত শত বিক্ষোভকারী সমাবেশ কছে। তাদের হাতে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবিসংবলিত পোস্টার দেখা যায়।