Published : 26 Aug 2026, 10:55 AM
ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা ফের প্রতিবেশী ওমানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।
রয়টার্স লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দিক থেকে তীব্রতর অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ার পর তেহরান এ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালো।
ইরান ও ওমান, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাঝে মাঝে বিরতিসহ আলোচনা চালিয়ে আসছে। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ হতো।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান প্রায় কার্যকরভাবে প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে রেখেছে।
মঙ্গলবার দেশ দুটি জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে একটি ‘যৌথ ও সাময়িক নৌ চলাচল পথ’ নিয়ে আলোচনা করেছে আর এটিকে মাইনমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি থেকে সব মাইন অপসারণ করা হয়েছে। তবে তিনি আগেও এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সক্রিয় শত্রুতা অনেকটা হ্রাস পেলেও শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে আছে আর হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত বিপজ্জনকই রয়ে গেছে।
মঙ্গলবার ওমানের আশ শিশাহ এলাকা থেকে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল (১৭ কিলোটমিটার) উত্তরপূর্বে একটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ট্যাঙ্কারটি বিকল হয়ে পড়ে বলে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স জানিয়েছে।
ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার কিছু কূটনৈতিক মিশনে কর্মী ফেরানো শুরু করেছে ওয়াশিংটন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের হামলার মুখে এসব মিশন থেকে কর্মী সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র বা সেখানে কর্মীর সংখ্যা হ্রাস করা হয়েছিল।
এ পদক্ষেপ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে সামনে ইরানের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার ঝুঁকি কম বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। তবে পশ্চিম এশিয়ার কিছু দূতাবাস আপাতত পূর্ণ সক্ষমতার চেয়ে কম পরিসরে কাযক্রম চালাবে।
আরও পড়ুন: