১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে কিংবা লঞ্চের ছাদে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
“নৌদুর্ঘটনা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ,” বলেন তিনি।
“কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় ফেরির মার্কিং বাতি এবং নৌপথ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যায়।”
পোশাক কারখানাগুলো ছুটির পর কর্মীরা বাড়ি যাওয়ার জন্য সড়কে নেমে এলে আগের ব্যবস্থাপনা আর কুলোয়নি।
রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি দিনের বেলায় স্পিডবোটে যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মৃতদের মধ্যে কয়েকজন গাম্বিয়ার নাগরিক নন; তাদের পরিচয় এখনো যাচাই করা হচ্ছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকলে হাতিয়া কার্যত মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
“কোস্ট গার্ডের কার্যক্রম দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত আছে,” বলেন তিনি।