১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউক্রেইনে নতুন সহায়তা পাঠানো হবে এখুনি: বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ইউক্রেইনকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘এখুনি’ নতুন অস্ত্র এবং সাজ-সরঞ্জাম কিইভে পাঠাবে।

ইউক্রেইনে নতুন সহায়তা পাঠানো হবে এখুনি: বাইডেন

ছবি: রয়টার্স।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Apr 2024, 10:39 PM

Updated : 24 Apr 2024, 11:06 PM

যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে ইউক্রেইন, ইসরায়েল এবং তাইওয়ানের জন্য ৯ হাজার ৫শ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ পাসের পর তাতে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এরপরই তিনি বলেন, কিইভে “আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই’ পাঠানো হবে নতুন এ সহায়তা। এতে আমেরিকা আরও নিরাপদ হবে। বিশ্ব আরও নিরাপদ হবে।”

প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ইউক্রেইনকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘এখুনি’ নতুন অস্ত্র এবং সাজসরঞ্জাম কিইভে পাঠাবে।

ইউক্রেইনকে সামরিক সহায়তা করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে কয়েক মাসের অচলাবস্থার পর এ সংক্রান্ত বিল মঙ্গলবার সেনেটে ৭৯-১৮ ভোটে পাস হয়েছে। ইউক্রেইনের জন্য সহায়তা প্যাকেজে ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে।

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে এ সহায়তা প্যাকেজ কট্টরপন্থিদের তীব্র বিরোধিতার মধ্যেও পাস হয়। এরপর এটি সেনেটে পাস হল।

সেনেটে ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেছেন, ‘‘ছয় মাসের কঠোর পরিশ্রম আর নানা নাটকীয়তা ও বাঁক বদলের পর আমেরিকা বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠাচ্ছে। আর তা হল: আমরা আপনাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেব না।’’

সেনেট ইউক্রেইনের জন্য সামরিক সহায়তা বিল পাসের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, “এটি গণতন্ত্রের রক্ষক এবং মুক্ত বিশ্বের নেতা হিসেবে আমেরিকার ভূমিকা আরও শক্তিশালী করেছে।”

এর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সিনেটে একই ধরনের একটি সহায়তা প্যাকেজ পাস হয়েছিল। তবে ওই সময় দেশটির রক্ষণশীল কিছু আইনপ্রণেতা ইউক্রেইনের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে যেতে বাধা দেন।

গত সপ্তাহে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দলীয় আইনপ্রণেতারা ওই বিরোধিতা এড়াতে একজোট হন। শেষ পর্যন্ত ইউক্রেইনে সহায়তা পাঠাতে রাজি হন তারা। বিদেশি সহায়তার পাশাপাশি ওই বিলে পশ্চিমা বিভিন্ন ব্যাংকে রুশ সম্পদ জব্দ করার আইনও জুড়ে দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে রাশিয়া, ইরান ও চীনের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপেও রাজি হন আইনপ্রণেতারা।