২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বিরোধী দলের সব প্রস্তাবই কি পাস হতে হবে? সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্যই তো আলোচনা আর বিতর্ক। কিন্তু বর্তমান সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের মোক্ষম আইনি অধিকার কীভাবে হেলায় জলাঞ্জলি দিল জামায়াতে ইসলামী?
পশ্চিমবঙ্গ থেকে মহারাষ্ট্র—একই ভাঙনের সুর। ম্যান্ডেট যখন ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হয়, তখন ব্যালট বাক্সও প্রতারণার শিকার হয়। ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের এই সুবিধাবাদী চেহারা নিয়ে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপেস’ থেকে অনূদিত শশী থারুরের লেখা।
সংসদীয় ইতিহাসে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের স্থায়ী কমিটিতে না রাখার একটি শক্ত রেওয়াজ ছিল, যা অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের অন্তর্ভুক্তির ফলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে রেওয়াজ আইনের চেয়ে কোনোক্রমেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। রেওয়াজগুলোই একসময় বিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা আর মুক্তিযুদ্ধের নতুন বয়ান তৈরির চেষ্টা কি সংসদকে অস্থির করে তুলছে? স্পিকারের চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ানো কি কোনো গভীর সংকটের ইঙ্গিত?
দীর্ঘ দেড় যুগের অন্ধকারের পর রাজনীতি কি সত্যিই সংসদে ফিরল? স্পিকারের ভূমিকা, বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আর মুক্তিযুদ্ধের অমীমাংসিত প্রশ্নের ভিড়ে এই সংসদ কি পারবে প্রকৃত জবাবদিহির কেন্দ্র হতে?
‘হ্যাঁ’-নির্ভর গণভোটের ভেতর দিয়ে যে উচ্চকক্ষের দ্বার উন্মোচিত হবে, তা কি পারবে বদলাতে ক্ষমতার গতানুগতিক হিসাব?
রাষ্ট্র যদি ধর্ম, ভাষা, জাতি, সম্পদ বা অন্য কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চলে, তবে তা পরিবার হতে ব্যর্থ হয় এবং জঙ্গলের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রীয় আয়োজন ও তৎপরতায় এবারও এটি দৃশ্যমান যে, সরকার একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে গণভোটের আয়োজন করেছে।