২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দিনের পর দিন লড়াই করে আসছে, সেটি একটি সংকর ব্যবস্থায় এসে থিতু হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে এই পরিস্থিতিকে অ্যানোক্রেসি বা ‘নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ বলা হয়।
বন্দুক সংস্কৃতির অবাধ বিচরণ আর রাজনৈতিক মেরুকরণের চরম শিখরে আজ আমেরিকা। ডনাল্ড ট্রাম্পের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা কি দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামোর দুর্বলতা প্রকাশ করছে?
এ মাসে অন্তত ৩৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ১৯ জন নিহত ও ৩১ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে।
হাদি হত্যাকাণ্ড জুলাইয়ের স্বপ্নকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। সব মিলিয়ে নতুন সরকারের সামনে এখন বড় একটি দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রকে ন্যায়বিচারের পথে ফেরানো।
৫৪ বছরে বাংলাদেশ বারবার প্রমাণ করেছে—ক্ষমতার বদল হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্রের চরিত্র বদলায়নি। এই ব্যর্থতার ভেতরেই জনগণের দৃষ্টি এখন তারেক রহমানের দিকে। তিনি কি পারেন রাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের পথে ফেরাতে?
ডাকসু নির্বাচন কেবল ক্যাম্পাসভিত্তিক ভোট নয়। তিন দশকের স্থবিরতা, ২০১৯-এর হতাশা আর ২০২৪-এর অভ্যুত্থানের পর এবার এই নির্বাচন হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির দিকনির্দেশক।
কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানো, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে আগুন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা—মব ভায়োলেন্স থামছে না। সরকার শুধু বিবৃতি দিয়েই দায় সারছে, অথচ জনগণের প্রত্যাশা সরকার মব প্রতিরোধ এবং মব সৃষ্টিকারীদের বিচার করবে।
বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বারবার রক্তাক্ত করেছে বাংলাদেশকে। দেশ কি একদিন এই সব হত্যার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে?