মাগুরায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম
মুন্না হামলার জন্য যুবলীগ-ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন।
মাগুরায় এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার রাতে জেলা জজ আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান।
আহত মারুফ হোসেন মুন্না (৪০) জেলা যুবদলের সদস্য। তিনি মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকার বাসিন্দা।
জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুকুজ্জামান ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, মারুফ এক আইনজীবীর চেম্বারে কম্পিটারের কাজ করেন। রাতে সেখানে কাজ শেষে এক আইনজীবীকে নিয়ে বের হন। তখন একদল অস্ত্রধারী তাদের ধাওয়া করে।
তিনি আরও বলেন, আইনজীবী পালিয়ে গেলেও অস্ত্রধারীরা মুন্নাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
যুবদল নেতা মারুফ হোসেন মুন্না জানান, ফেইসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তিনি এজন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।
তবে যুবদল নেতার অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলেছেন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান।
তিনি বলেন, “রোববার আমরা সারাদিন দলীয় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। যুবদল নেতা মুন্নার ওপর কারা হামলা করেছে তা জানা নেই। মিথ্যা ও অযথাই তিনি আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।“
সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “হামলায় আহত মারুফ হোসেন মুন্নাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তবে কারা তার উপর হামলা করেছে তিনি তাদের চিনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।
“তবে হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলা করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
