২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
স্পিভাকের ‘ক্যান দ্য সাবঅল্টার্ন স্পিক?’ প্রবন্ধটি আমাদের শিখিয়েছিল প্রান্তিক মানুষের নীরবতার গল্প। কিন্তু তারা যখন ক্ষমতার কেন্দ্রে যায় এবং ভিন্নমত দমনে ‘মব জাস্টিস’ শুরু করে, তখন কি তারা আদৌ সাবঅল্টার্ন থাকে?
১৯৪৩ সালের সুবিশাল শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংকুচিত হতে হতে মাত্র ৬৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে! উন্নয়নের নামে আদিবাসী রাখাইনদের ভূমি গ্রাস, শ্মশান দখল আর উচ্ছেদের এই নির্মম বাস্তবতা কি কোনো সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে?
কেন বারবার নিজ ভূমিতেই পরবাসী হতে হচ্ছে গারোদের? উন্নয়নের দোহাই আর প্রভাবশালীদের দখলে হারিয়ে যাচ্ছে এক প্রাচীন জাতিসত্তার অধিকার।
নতুন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সার্থক করতে হলে দারিদ্র্যকে দেখতে হবে নতুন লেন্সে। কেবল ভাতা নয়, দরকার দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার পথ।
দীর্ঘদিন পর প্রাণবন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আশাবাদ জাগিয়েছে। কিন্তু একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোট প্রশ্নের মুখে ফেলেছে প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার মানদণ্ডকে।
রাজনৈতিক কোলাহলের আড়ালে রাজশাহীর বামনশিকড় গ্রামে ঘটে গেছে নীরব কিন্তু করুণ এক মৃত্যুকাহিনি—ক্ষুধা আর ঋণের দমবন্ধ চাপে নিভে গেছে একই পরিবারের চারটি প্রাণ।
এই ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো যেত, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রান্তিক মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা যেত। কিন্তু এক ঝটকায় বাতিল করে দেওয়া মানে তাদের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা।
দারিদ্র্যের হার কম এরকম অনেক জেলায় নতুন করে দারিদ্র্যের পকেট তৈরি হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় দারিদ্র্যের হার কমে আসা অনেক জেলাতেই ফের বাড়ছে দারিদ্র্যের হার।