২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
“সাধারণত দেখা যায় যে, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা এই সময়টাতে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।”
এ নিয়ে চলমান দুর্যোগে জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।
সকালে ওই শিশুর মা লামিয়া আক্তার রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকার সুযোগে বাড়ির আঙিনা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়।
“মুসআব শেষ আর দু-একটা ডুব দিয়ে উঠবে বলেছিল। কিন্তু যখন ডুবের পর সে আর উঠতে ছিল না, তখন আমরা সবাই খোঁজাখুজি শুরু করি।”
বাড়ির সামনে খেলাধুলা করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পাশের পুকুরে পড়ে যায় তারা।
উপজেলা পরিষদ পুকুরে গাড়ির চাকার টিউব দিয়ে সাঁতার শেখার এক পর্যায়ে হৃদয় পানিতে ডুবে যান।
ফায়ার সার্ভিস ওই কিশোরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন, বলছে পুলিশ।
“খোঁজাখুঁজি করে পানি থেকে মৃত অবস্থায় ওই দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।