০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দীঘিনালা ও মাটিরাঙা উপজেলার নিম্নাঞ্চল।
ছুটি শেষ হলেও যেন ঈদের আমেজ কাটেনি। ভ্রমণপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর নেত্রকোণার দুর্গাপুরের সাদামাটির পাহাড় এলাকা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন পর্যটকরা।
জেলার পাঁচটি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনুমানিক ২৯ হাজার ৭০০ মানুষ।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দেইর আল-বালাহ এলাকার আল-ঘাফারি গুদামে হাজার হাজার মানুষ ঢুকে পড়ে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যাচ্ছে।
মুহুরী নদীর বানে ফেনী জেলা যে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে, ইতিহাসে তার নজির নেই। সম্পদ যা গেছে, তা গেছে; এ জেলার তিন উপজেলার সাড়ে তিন লাখ মানুষ এখন প্রাণ বাঁচানো নিয়েই শঙ্কায়।