২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কেবল একটি ঘোষণা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের জন্মের বৈধ দলিল। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১০ এপ্রিলের চূড়ান্ত রূপান্তর পর্যন্ত এই দলিলের বিবর্তনের গল্প আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সুসংগঠিত রূপটিকেই তুলে ধরে।
“গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার আপসহীন নেতৃত্ব জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে,” বলেন তিনি।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তির পর তার একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।
”সংস্কারের প্রয়োজন আছে, সংস্কার বিবেচনাযোগ্য। বিস্তর আলোচনার পর যদি ঐকমত্য হয়, তখন সংবিধান সংশোধন করা যায়,” বলেন তিনি।
“আমাদের ছাত্র-ছাত্রী ও অজস্র নাগরিকের ওপর ঘটে যাওয়া গণহত্যা, দমন-পীড়ন ও আইনের শাসনের প্রতি যে অবজ্ঞা দেখেছি, তা অবশ্যই আমাদের সংবিধানে স্থান পাওয়া উচিত,” বলেন তিনি।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্যরা তার সঙ্গে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন।
“বলেছি সংস্কার শেষে অতিদ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য; তবে সংস্কার শেষ না হলে সবই একই হবে,” বলেন মন্টু ।
১৯৭৫ সালের অগাস্ট ট্রাজেডির পরে বছরের পর বছর ধরে জনপরিসরে যে বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা হয়েছে তা হলো, এই হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রতিবাদ হয়নি। অথচ ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা।