০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
“যখন কেউ কঙ্কাল কিনতে আসে বা অনলাইনে বুকিং দেয়, তখন তার কাছ থেকে ২-১ সপ্তাহ সময় নেওয়া হয়। তারপরে কঙ্কালটা ডেলিভারি দেওয়া হয়।”
এ ঘটনার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
সাঘাটা থানার ওসি জানান, খবর পেয়ে তিনি এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চার দফায় কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
শনিবার এলাকার শত শত মানুষ কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
কবরস্থানগুলো যথাযথ তদারকি করতে এবং মরদেহ ও কঙ্কাল চুরির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চেয়েছে আদালত।