২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মেক্সিকো সিটি প্রাচীন হ্রদের তলদেশের অবশিষ্টাংশের ওপর গড়ে উঠেছে, যার নিচে রয়েছে নরম শিলা ও বালুর ভূগর্ভস্থ স্তর।
পুরো বছরজুড়ে প্রতি দুই দিন অন্তর একটি করে রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে স্পেসএক্স এবং বিরতিহীনভাবে প্রতি সপ্তাহে এমনটি করেছে মাস্কের কোম্পানিটি।
এখন পর্যন্ত ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্সই কক্ষপথে রকেটের মূল অংশ বা মেইন স্টেজ সফলভাবে অবতরণ করাতে ও আবার তা উৎক্ষেপণ করতে পেরেছে।
গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লার জন্য এ মিশনে একটি আসন ও তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পাঁচশ কোটি রুপি খরচ করেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।
এর আগে ১৯৮৪ সালে প্রথম ভারতীয় রাকেশ শর্মা রাশিয়ার সয়ুজ যানে চেপে মহাকাশ পাড়ি দিয়েছিলেন।
উৎক্ষেপণ ঠিকঠাকই হয়েছিল, কিন্তু গোল বাঁধল রকেটের তৃতীয় ধাপে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি ভারতের নজরদারি স্যাটেলাইটটি।
ভারতের এই নিজস্ব জিপিএস সিস্টেমের নাম ‘ইন্ডিয়ান রিজিওনাল ন্যাভিগেশন সিস্টেম’ বা ন্যাভিক। এটি পাঁচটি স্যাটেলাইটের একটি গুচ্ছ।