০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মার্কিন আদালতের সাম্প্রতিক রায় ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে, সহজ পাঁচটি পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্তানের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
সামাজিক মাধ্যম আসক্তি নিয়ে রায় ঘিরে সিলিকন ভ্যালিতে একইসঙ্গে চলছে একযোগে উদ্বেগ আর অস্বীকার।
ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ বছর বয়সী তরুণী কালি জি এম মেটা (ইনস্টাগ্রাম) এবং গুগলের (ইউটিউব) বিরুদ্ধে লড়ছেন এক দীর্ঘ আইনি লড়াই। তার অভিযোগ, শৈশবে এই অ্যাপগুলোর আসক্তি তার মানসিক স্বাস্থ্য ধ্বংস করেছে এবং তাকে আত্মঘাতী করে তুলেছিল।
নোটিফিকেশন ও লাইক সামাজিক মাধ্যমের এমন কিছু হাতিয়ার, যা মানুষকে বিশেষ করে শিশুদের বিভিন্ন প্লাটফর্মের সঙ্গে আটকে রাখে।
এই বিচার প্রক্রিয়ায় মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গ, ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মোসেরি ও ইউটিউব সিইও নিল মোহনের সাক্ষ্য নেবে আদালত।
এ মামলার রায় যদি বাদীর পক্ষে যায় তবে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানি এতদিন যে আইনি সুরক্ষা কবজ ব্যবহার করে দায় এড়িয়ে আসত তা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
নির্ধারিত সময় শেষ হলে ফিচারটি স্ক্রিনে একটি পপ-আপ নোটিফিকেশন দেখাবে, যাতে উল্লেখ থাকবে যে, শর্টস ফিড সাময়িকভাবে বিরত রাখা হয়েছে।
এ প্রজন্মের ৫০ শতাংশ মানুষ বলেছেন, প্রতিদিন তিন ঘণ্টার বেশি সময় স্মার্টফোনে কাটান তারা। ২০ শতাংশ মানুষ আবার দিনে ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ফোনে থাকেন।