১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ডেটা সেন্টারের খোঁজে আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়ায় প্রযুক্তি জায়ান্টরা

অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতিতে জর্জরিত আর্জেন্টিনার সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরায় বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের নজরে এসেছে দেশটি।

ডেটা সেন্টারের খোঁজে আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়ায় প্রযুক্তি জায়ান্টরা
আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়া অঞ্চলটি এবড়োখেবড়ো পাহাড়ের চূড়া, চোখ জুড়ানো মরুভূমি ও বড় সব হিমবাহের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 08 Sep 2026, 06:12 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:56 AM

প্রচণ্ড ঠান্ডা আবহাওয়া, অনেক পরিমাণে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, শেল গ্যাস ও বড় জনশূন্য জমির কল্যাণে মেগা ডেটা সেন্টার গড়ার নতুন হটস্পটে পরিণত হয়েছে আর্জেন্টিনার দুর্গম পাতাগোনিয়া অঞ্চল।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিপ্লবের যুগে সার্ভার ফার্ম তৈরিতে বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানির মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশগুলোতে পরিবেশের ক্ষতি, স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি ও মানুষের বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ডেটা সেন্টারবিরোধী আন্দোলনের কারণে চাপে রয়েছে এসব কোম্পানি।

এর বিপরীতে, আর্জেন্টিনায় প্রাথমিক পর্যায়ের প্রকল্পগুলো মানুষের তেমন কোনো নজরদারি বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছাড়াই এগিয়ে চলেছে।

ডেটা সেন্টারের পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের দাবি, এআই খাতের প্রসারে এসব অবকাঠামো জরুরি ও এগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্থানীয় রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে, যা সঠিক উপায়ে পরিবেশবান্ধব পন্থায় পরিচালনা করা সম্ভব।

দক্ষিণ আমেরিকার একেবারে দক্ষিণের পাতাগোনিয়া অঞ্চলটি এর এবড়োখেবড়ো পাহাড়ের চূড়া, চোখ জুড়ানো মরুভূমি ও বড় সব হিমবাহের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

আর্জেন্টিনার নেউকুয়েন প্রদেশের পাতাগোনিয়া অঞ্চলে দেশটির অন্যতম প্রধান বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি ‘পাম্পা এনার্জিয়া’ বড় এক ডেটা সেন্টার গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কোম্পানির লমা দে লা লাতা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই এটা বসানোর পরিকল্পনা হয়েছে।

পাতাগোনিয়ায় পর্যাপ্ত শক্তির উৎস ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলেও অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। ছবি: রয়টার্স

পাতাগোনিয়ায় পর্যাপ্ত শক্তির উৎস ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলেও অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে

কোম্পানিটির বিদ্যুৎ বিভাগের বাণিজ্য পরিচালক রুবেন তুরিয়েনসো বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম বড় শেল গ্যাস ক্ষেত্র ‘ভাকা মুয়ের্তা’ থেকে শক্তি নিয়ে এ ডেটা সেন্টারটিতে প্রায় পাঁচশ’ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।

তবে ওই গ্রামীণ জনপদে মাপুচে আদিবাসী পরিবারগুলোর বসবাস, যাদের সঙ্গে বিভিন্ন জ্বালানি কোম্পানির বিরোধের নজির রয়েছে। এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশ না পাওয়া এ প্রকল্পটি নিয়ে পাম্পা কোম্পানি কাজ শুরু করে এ বছরের শুরুর দিকে সম্ভাব্য ডেটা সেন্টার প্রকল্প সংক্রান্ত কিছু সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধানের পর।

এ বিষয়ে রুবেন তুরিয়েনসো বলেছেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, এ বিষয়ে ধীরে ধীরে আগ্রহ আরও জোরালো হচ্ছে।”

মিলেই অর্থনৈতিক সংস্কারে আকৃষ্ট হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতিতে জর্জরিত আর্জেন্টিনার সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরায় বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের নজরে এসেছে দেশটি।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের সরকার ‘রিগি’ প্রণোদনা ব্যবস্থার মাধ্যমে বড় ধরনের তেল ও খনিজ বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে, যা কর ছাড় ও নিয়ন্ত্রণমূলক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করছে।

টেক্সাসভিত্তিক বাজার গবেষণা কোম্পানি ‘ডেটা সেন্টার হক’-এর লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টিভ সাস বলেছেন, “দুই বছর আগে কেউ আর্জেন্টিনার নামও নিত না।”

গেল অক্টোবরে ওপেনএআই ঘোষণা দিয়েছে, তারা স্থানীয় কোম্পানি ‘সুর এনার্জি’র সঙ্গে পার্টনারশিপের ভিত্তিতে পরিবেশবান্ধব শক্তির সহায়তায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয়ে সর্বোচ্চ পাঁচশ’ মেগাওয়াট সক্ষমতার ডেটা সেন্টার নির্মাণ করবে।

এ ছাড়া, পাতাগোনিয়া অঞ্চলকে ডেটা সেন্টারের উপযোগী করে তুলতে জুলাইয়ে আর্জেন্টিনার যোগাযোগ সংস্থা দ্বিতীয় এক ফাইবার-অপটিক কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

বর্তমানে আর্জেন্টিনায় কেবল বুয়েনস আইরেসে কেন্দ্রীভূত কিছু ছোট ডেটা সেন্টার রয়েছে ও দেশটি এ দিক থেকে তার প্রতিবেশীদের চেয়ে পিছিয়েছে।

অ্যামাজন চিলিতে মেগা এক ডেটা সেন্টার নির্মাণ করছে ও উরুগুয়েতে আরেকটি সেন্টার তৈরি করছে গুগল। মে মাসে তাইওয়ানের সহায়তায় ডেটা সেন্টার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে প্যারাগুয়ে।

মার্কিন ডেটা সেন্টার উপদেষ্টা কোম্পানি ‘ক্লাউড টু গ্রাউন্ড’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হাদাসা লুটজ বলেছেন, “সবাই শক্তির উৎস খুঁজছে। সে কারণেই আন্তর্জাতিক ডেভেলপারদের নজর এখন আর্জেন্টিনার দিকে। তবে কেবল শক্তি আছে বললেই চলবে না।”

এদিকে, কিছু বিনিয়োগকারী আর্জেন্টিনার ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন এবং বড় ধরনের কর ছাড় নিয়ে মিলেই প্রস্তাবিত ‘সুপার রিগি’ নামের নতুন আইনগত কাঠামোর দিকে নজর রাখছেন।

হাদাসা লুটজ বলেছেন, “সেই অনিশ্চয়তা দূর হলে আমাদের হাতে আর্জেন্টিনায় লাভজনক ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প চলে আসবে। ফলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি নিতে পিছপা হবেন না।”

পাতাগোনিয়ার আকর্ষণ

পাতাগোনিয়ায় ডেটা সেন্টারের প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর করতে আগ্রহী বিভিন্ন পক্ষের কাছে শক্তির দামের প্রস্তাব দিচ্ছে পাম্পা এনার্জিয়া।

বাণিজ্য পরিচালক রুবেন তুরিয়েনসো বলেছেন, বড় পরিসরে যাওয়ার আগে বিনিয়োগকারীরা প্রথমে ২০ থেকে ৪০ মেগাওয়াটের ছোট এক পাইলট প্রজেক্ট করতে চান এবং ২০২৬ সালের শেষদিকে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

পাঁচশ’ মেগাওয়াটের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক অবকাঠামো তৈরি করতে প্রায় ৯০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

পাতাগোনিয়ার উন্নয়ন কাউন্সিলের সচিব রুবেন এচেভেরি বলেছেন, নেউকুয়েন অঞ্চলের আবহাওয়া ঠান্ডা, যা কুলিং বা শীতলীকরণের খরচ কমিয়ে দেবে এবং সেখানে জলবিদ্যুৎ ও ভাকা মুয়ের্তার গ্যাসের সহজলভ্যতা রয়েছে।

“আমরা এমন এক ডেটা সেন্টার ক্লাস্টার বা ইকোসিস্টেম কল্পনা করছি, যেখানে একবার প্রথম সুবিধাটি প্রতিষ্ঠিত হলে তা আগের সব ধারণা ও ঝুঁকি দূর করে দেবে।”

এচেভেরি বলেছেন, নেউকুয়েনে ডেটা সেন্টারের জন্য বিনিয়োগকারী খুঁজছে মার্কিন ডেটা সেন্টার কোম্পানি ‘ফ্লেক্সডোমস’। বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকেই তিনি খোঁজখবর পেয়েছেন।

আর্জেন্টিনায় কোম্পানির প্রতিনিধি গ্যাব্রিয়েল ওব্রাডোর বলেছেন, আইটি লোডের প্রথম ধাপে ১২০ মেগাওয়াটের জন্য ১৪০ কোটি ডলার খরচ ও এতে ভাকা মুয়ের্তার শক্তি ব্যবহৃত হবে।

এদিকে, জুলাইয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় চুবুত প্রদেশে পোল্যান্ডের ‘গ্রিন ক্যাপিটাল’ বলেছে, তারা ডেটা সেন্টার পরিকল্পনায় কাজ করছে। যার প্রথম ধাপে তিনশ’ মেগাওয়াট সক্ষমতা পেতে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হবে। পরবর্তীতে তা তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও ডেটা সেন্টারের প্রধান মার্টা জ্লোটকোভস্কা।

ন্যাশনাল গ্রিড ব্যবহার এড়ানোর লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে তারা ট্রেলেভ শহরের দক্ষিণে প্রায় ৫০১ বর্গমাইল জমি লিজ নিয়েছে এবং সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ খামার নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। তবে এর জন্য বিনিয়োগকারী প্রয়োজন ও তারা ২০২৭ সালে বিনিয়োগ কাঠামোর জন্য আবেদনের পরিকল্পনা করছে।

আর্জেন্টিনার বুয়েনস আয়ার্স-এও জায়গার খোঁজ করছে বিভিন্ন কোম্পানি। বায়ুবিদ্যুতের জন্য পরিচিত বাহিয়া ব্লাঙ্কা শহরের এক ফ্রি ট্রেড জোনে ডেটা সেন্টারের প্রথম ধাপের জন্য ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে রাজি হয়েছে পাম্পা এনার্জিয়া।

জোনের কনসেশনের জেনারেল ম্যানেজার পাবলো আমারেলে বলেছেন, কোম্পানিটি এক আইটি পার্ক নির্মাণ শুরু করেছে এবং ২০২৬ সালের শেষদিকে চূড়ান্ত বিনিয়োগ চুক্তির আশা করছে।

আর্জেন্টিনা ইন্টারনেট চেম্বারের সভাপতি অ্যারিয়েল গ্রেইজার বলেছেন, জায়গা ভাড়া নেওয়া এসব প্রযুক্তি কোম্পানি জায়গা বাড়ানোর কথা বিবেচনা এবং ‘এমন সব সম্ভাবনার খোঁজ করছে, যা আগে অসম্ভব বলে মনে হত’।

অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ

পাতাগোনিয়ায় পর্যাপ্ত শক্তির উৎস ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলেও অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

হাদাসা লুটজ বলেছেন, “এ এমন কোনো পণ্য নয়, যা ক্রেতার অপেক্ষায় আছে। ফলে কাউকে না কাউকেই তা নির্মাণ করতে হবে।”

বিশেষজ্ঞরা কেবল ঘোষণাকেই চূড়ান্ত প্রকল্প বলে ধরে না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব জ্বালানি কোম্পানি ‘জেনেইয়া’র কর্পোরেট বিষয়ক পরিচালক গুস্তাভো কাস্তাগনিনো বলেছেন, “আগ্রহ রয়েছে ও অনেক খেলোয়াড়ও মাঠে আছে। তবে প্রকল্পটি বাস্তবে শুরু হতে হবে।”

ডিজিটাল অবকাঠামো পেশাজীবীদের অলাভজনক মার্কিন সংগঠন ‘আইম্যাসনস’-এর লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের সহ-চেয়ার লুইস শিলিং বলেছেন, কোম্পানির পাতাগোনিয়া পরিদর্শনের পূর্বনির্ধারিত সফর তিনি এরইমধ্যে তিনবার পেছাতে বাধ্য হয়েছেন। সফরটি এখন আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত রয়েছে।

তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট মিলেই পুনরায় নির্বাচিত হলে তারা আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।”

বাস্তবে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোকে আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই। বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ও পাতাগোনিয়ায় বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে ২০২৪ সালের মে মাসে তিনি সিলিকন ভ্যালি সফর করেছিলেন।

ওই সময় অ্যাপলের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী টিম কুক, ওপেনএআইয়ের স্যাম অল্টম্যান, গুগলের সুন্দার পিচাই ও মেটার মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এ ছাড়া, এ বছরের অগাস্টে এক নিয়ন্ত্রক ফাইলিং অনুসারে, ভাকা মুয়ের্তায় শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী কোম্পানি ‘ভিসতা এনার্জি’র এক শতাংশ শেয়ার কিনেছেন মার্কিন বিনিয়োগকারী পিটার থিল।

একশ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের পাঁচটি স্টার্টআপের আর্জেন্টাইন প্রতিষ্ঠাতা মার্টিন ভারসাবস্কি বলেছেন, আর্জেন্টিনা “আগে মানচিত্রেই ছিল না। বিষয়টি এমন ছিল যেন কেউ আর্জেন্টিনার পতাকা গেড়ে বলছে, ‘এখানে এমন এক দেশ রয়েছে, যেখানে অনেক শক্তি ও বিনিয়োগের জন্য চমৎকার পরিস্থিতি রয়েছে’।”

এর ১৭ মাস পর ওপেনএআই তাদের এ প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে। তবে ‘সুর এনার্জি’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এমিলিয়ানো কারগিয়েমান ও ওপেনএআই রয়টার্সের পক্ষ থেকে করা সাক্ষাৎকারের অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি।

অগাস্টে কারগিয়েমান বলেছিলেন, একটি উপযোগী জায়গা নির্ধারণে তিনি নেউকুয়েন প্রদেশের সঙ্গে কাজ করছেন এবং ‘চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর ও প্রকল্প চালুর বিষয়টি এখন সম্পূর্ণ ওপেনএআইয়ের হাতে রয়েছে’।

এক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার আসন্ন নির্বাচন কোনো প্রভাব ফেলছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, “এ প্রশ্ন ওপেনএআইকে জিজ্ঞাসা করতে হবে।”