এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনায় অ্যামাজন

কার্যক্রম শুরু হতে পারে এই সপ্তাহ থেকে। এর মধ্যে থাকতে পারে অ্যামাজন ডিভাইস নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন কর্মীর পাশাপাশি রিটেইল ও মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীরা।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Nov 2022, 01:09 PM
Updated : 15 Nov 2022, 01:09 PM

টুইটার ও মেটার পর এবার ব্যপক হারে কর্মী ছাঁটাই করতে পারে জেফ বেজোসের অ্যামাজন।

সোমবার এই বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলেছে, কোম্পানির কর্পোরেট ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রায় ১০ হাজার কর্মী এই ছাঁটাই পরিকল্পনায় পড়তে যাচ্ছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্যক্রম শুরু হতে পারে এই সপ্তাহ থেকে। এর মধ্যে থাকতে পারে অ্যামাজন ডিভাইস নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন কর্মীর (উদাহরণ, অ্যালেক্সা) পাশাপাশি রিটেইল ও মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীরা।

“ছাঁটাই তালিকায় থাকা কর্মীর সর্বমোট সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত নয়।” --প্রতিবেদনে লিখেছে টাইমস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স প্রতিবেদনে লিখেছে, এসব কর্মীর মধ্যে থাকতে পারে অ্যামাজনের কর্পোরেট বিভাগের তিন শতাংশ কর্মী। তবে, কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনার পর এই সংখ্যা বদলাতেও পারে।

সোমবার এই প্রসঙ্গে সিএনএন বিজনেস অ্যামাজনের মন্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিক কোনো উত্তর মেলেনি। এর ফলে, টাইমসের প্রতিবেদন সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি সিএনএন। একই দিন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

খবরটি সত্য হলে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেওয়া সর্বশেষ কোম্পানি হবে অ্যামাজন। ব্যপক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে মহামারী চলাকালীন চাহিদা (যেটির কারণে দ্রুত কর্মী নিয়োগ দিতে হয়েছিল) কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনেক টেক জায়ান্ট।

গত সপ্তাহে, ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয় ফেইসবুকের মালিক কোম্পানি মেটা।

এই মাসের শুরুতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চলমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ‘কর্মী নিয়োগের সংখ্যা’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ‘আগামী কয়েক মাসের জন্য’ নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ রাখার কথা জানায় অ্যামাজন।

মহামারীতে যখন ভোক্তাদের অভ্যাস বদলে যাচ্ছিল ও তারা ই-কমার্স খাতে খরচ ক্রমশঃ বাড়ছিলো, তখন নিজস্ব কর্মী নিয়োগ বাড়িয়েছিল অ্যামাজন।

নিজেদের সবচেয়ে সাম্প্রতিক আয়ের হিসাবে অ্যামাজন পূর্বাভাস দিয়েছিল, এই প্রান্তিকে তাদের আয় বিশ্লেষকদের ধারণার চেয়ে কম হতে পারে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক