২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

হার্ডওয়্যার লিড থেকে অ্যাপল প্রধান, টার্নাসের সামনে যত চ্যালেঞ্জ

স্টিভ জবসের মৃত্যুর পর অ্যাপলের দায়িত্ব নেন টিম কুক। এবার তার রেখে যাওয়া বড় প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের হাল ধরে জন টার্নাস বিশ্ব প্রযুক্তি খাতকে কোন দিকে নিয়ে যান সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

হার্ডওয়্যার লিড থেকে অ্যাপল প্রধান, টার্নাসের সামনে যত চ্যালেঞ্জ
জন টার্নাস বিনয়ী, বিষয়ের গভীর খুঁটিনাটিতে মনোযোগী ও স্পষ্টভাষী। প্রকাশ্যে বা ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে সব জায়গায় তার এই স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2026, 10:08 AM

Updated : 17 Sep 2026, 02:53 AM

বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যাটন আনুষ্ঠানিকভাবে হাতবদল হল। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের পর সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পরিণত নির্বাহী টিম কুক।

টিম কুকের বিদায়ের পর অ্যাপলের শীর্ষ পদে এলেন দীর্ঘদিনের হার্ডওয়্যার প্রধান জন টার্নাস। বিশ্বমঞ্চে নিজের রহস্যময় ভাবমূর্তি ভেঙে অ্যাপলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ও কোম্পানিতে থাকা নানা জটিলতা কাটাতে তার সামনে এখন বেশ কয়েকটি জরুরি বিষয় অপেক্ষা করছে।

পরিচালনা পর্ষদের নতুন নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে যাওয়ার পর ক্যালেন্ডারের পাতা ১ সেপ্টেম্বরে পৌঁছাতেই অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জন টার্নাস। দীর্ঘ দিন ধরে কোম্পানিটির হার্ডওয়্যার প্রধানের দায়িত্বে থাকা এ কর্মীর প্রথম দিনটিই শুরু হচ্ছে ব্যস্ততা ও পাহাড়সম চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে।

নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পরই টার্নাসের জন্য বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে আগামী সপ্তাহে, যেখানে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে আইফোনের ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বৈপ্লবিক নকশার নতুন সংস্করণের বিভিন্ন পণ্য।

নতুন ফ্ল্যাগশিপ পণ্য উন্মোচনই নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে অ্যাপলের মিশ্র পারফরম্যান্স থেকে বেরিয়ে আসা এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে জটিল বাণিজ্যিক কূটনীতি সামলানোসহ একাধিক জরুরি বিষয় এখন তার সরাসরি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

যেভাবে অ্যাপলের চূড়ায় জন টার্নাস

২০০১ সালে ‘ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়া’ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ালেখা শেষ করার পরই তরুণ প্রকৌশলী হিসেবে অ্যাপলে যোগ দিয়েছেন টার্নাস।

এর আগে, ‘ভার্চুয়াল রিসার্চ সিস্টেমস’ নামের এক ডিসপ্লে কোম্পানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অল্প মেয়াদে কাজ করেছিলেন তিনি। অ্যাপলে যোগ দেওয়ার পর নিজের মেধা ও ধারাবাহিক দক্ষতার বলে ধীরে ধীরে ওপরের পদে উঠে আসেন।

সিইও হওয়ার আগে তিনি ছিলেন কোম্পানিটির হার্ডওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের প্রধান, যেখানে আইফোন, ম্যাকবুকসহ অ্যাপলের প্রায় সকল পণ্যের ডিজাইন ও সফল প্রবর্তনের তদারকি পরিচালনা করেছেন তিনি।

পণ্য নকশায় টার্নাসের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা যেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন তেমনই অ্যাপল কর্তৃপক্ষও তা বিশেষভাবে তুলে ধরছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে অ্যাপল ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা আবারও নিজেদের তৈরি আসল ও বস্তুগত হার্ডওয়্যার প্রযুক্তির ওপর নতুন করে মূল নজর ফিরিয়ে আনতে চাইছে।

কর্মীদের উদ্দেশ্যে লেখা নিজের শেষ কার্যদিবসের মেমোতে টার্নাসের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে সাবেক সিইও টিম কুক লিখেছেন, “বিশ্বকে বদলে দেওয়া প্রযুক্তিপণ্য তৈরি করতে ঠিক কী কী প্রয়োজন হয় জন যেভাবে বোঝে, খুব কম মানুষই তা অনুধাবন করতে পারে। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেখতে পাওয়ার বিষয়ে আমি এর চেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত আর হতেই পারতাম না।”

স্পটলাইটের আলোতেও যা অজানা

অ্যাপলপ্রেমী বা ব্যবহারকারীদের কাছে টার্নাসের নাম একেবারে নতুন নয়। গেল কয়েক বছরে অ্যাপলের বড় বড় ইভেন্ট ও বিশ্বজুড়ে উদযাপিত বার্ষিক ‘কি-নোট’ প্ল্যাটফর্মগুলোতে তার উপস্থিতি বেড়েছে, বিশেষ করে অ্যাপলের সবচেয়ে লাভজনক পণ্য ফ্ল্যাগশিপ আইফোন উন্মোচনের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি তার উপস্থাপনেই অভ্যস্ত বিশ্ব প্রযুক্তিপ্রেমীরা।

বিভিন্ন ইভেন্টের ভিডিওতে তার ব্যক্তিত্বের বিশেষ দিকও ফুটে উঠেছে। তিনি বিনয়ী, বিষয়ের গভীর খুঁটিনাটিতে মনোযোগী ও স্পষ্টভাষী। প্রকাশ্যে বা ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে সব জায়গায় তার এই স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়।

তবে ক্যামেরার উজ্জ্বল আলোর বাইরে জন টার্নাস ঠিক কেমন মানুষ সে বিষয়ে বৈশ্বিক মিডিয়া খুব কমই জানে। তার ব্যক্তিগত জীবন, শখ বা ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা আড়ালেই রয়ে আছে এখনও।

অ্যাপলের মূল হার্ডওয়্যার বিভাগের বাইরে, যেমন ডেভেলপারদের সঙ্গে অ্যাপলের নীতিভিত্তিক সম্পর্ক বা চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে থাকা সংবেদনশীল কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক কী হতে যাচ্ছে তা এখনও এক বড় ধরনের রহস্য।

১১ বছরের যৌথ কাজের পর স্টিভ জবস মারা যাওয়ার ঠিক আগে যার হাতে অ্যাপল পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন সেই টিম কুক টানা ১৫ বছর সফলতার সঙ্গে বিশ্ববাজার মাতিয়েছেন।

এবার টিম কুকের রেখে যাওয়া বড় এ প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের হাল ধরে জন টার্নাস বিশ্ব প্রযুক্তি খাতকে কোন দিকে নিয়ে যান এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মধ্যরাতে অ্যাপলের অফিশিয়াল ‘লিডারশিপ পেইজ’ আপডেট হয়েছে, সেখানে প্রধান নির্বাহী হিসেবে জন টার্নাসের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্তে বড় কোনো রদবদল না করা হলেও যোগ হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নতুন এক অনুচ্ছেদ।

টিম কুকের বিদায়ের পর অ্যাপলের শীর্ষ পদে এলেন দীর্ঘদিনের হার্ডওয়্যার প্রধান জন টার্নাস। ছবি: অ্যাপল

টিম কুকের বিদায়ের পর অ্যাপলের শীর্ষ পদে এলেন দীর্ঘদিনের হার্ডওয়্যার প্রধান জন টার্নাস

লিডারশিপ পেইজে অ্যাপল পণ্যগুলোর স্থায়িত্ব, স্থায়িত্বশীলতা ও পরিবেশবান্ধব মেকানিজমে টার্নাসের অসামান্য অবদানের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।

টার্নাসের বায়োগ্রাফিতে নতুন যোগ হওয়া অংশে বলা হয়েছে, “জন বিভিন্ন অ্যাপল পণ্যের সহনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে কোম্পানির মূল নজর তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তির কারণেই অ্যাপল পণ্যগুলো এখন টেকসই।

“পাশাপাশি পণ্যের কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমিয়ে আনতে উপাদান ও হার্ডওয়্যার ডিজাইনে অ্যাপলের উদ্ভাবনগুলো পরিচালনা করেছেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রোডাক্ট লাইনে নতুন ধরনের রিসাইকেল করা অ্যালুমিনিয়াম যৌগের ব্যবহার, অ্যাপল ওয়াচ আলট্রায় থ্রিডি-প্রিন্টেড টাইটানিয়ামের প্রয়োগ ও সারানো যায় এমন একাধিক অ্যাপল পণ্যের স্থায়িত্ব ও কর্মসক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা।”

বাক্যের শুরুতে টার্নাসকে ‘অ্যাপলের সিইও ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পর টার্নাসের বায়োগ্রাফির পুরোটাই সাজানো হয়েছে কেবল হার্ডওয়্যার পণ্য নিয়ে তার কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে।

করপোরেট পলিসি, আর্থিক পরিচালনা বা সফটওয়্যারের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে তার অভিজ্ঞতা বা দৃষ্টিভঙ্গি কেমন সে সম্পর্কে কোনো শব্দই খরচ করা হয়নি।

টিম কুকের বার্তা

পণ্যকেন্দ্রিক এ বিবরণ থেকে সম্ভবত প্রমাণ মেলে, টার্নাসের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ঝুলি হার্ডওয়্যার কেন্দ্রিক ও তিনি সিইও পদে সদ্য পদার্পণ করেছেন। তবে এর পেছনে আরেকটি বড় কারণ হতে পারে কোম্পানিতে স্টিভ জবস ও টিম কুকের রেখে যাওয়া প্রভাবের কৌশলগত বিন্যাস।

বিদায়ী বার্তায় টিম কুক বলেছেন, তিনি অ্যাপল ছেড়ে একেবারেই চলে যাচ্ছেন না। সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে কুক লিখেছেন, “অ্যাপল পার্ক ও বিশ্বজুড়ে নতুন এ ভূমিকায় আপনাদের সঙ্গে আবারও দেখার অপেক্ষায় রইলাম।”

পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে কুকের কাজ ঠিক কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসছে, কুক কোম্পানির সেসব সংবেদনশীল ও বিতর্কিত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা ধরে রাখবেন, যা তিনি গত ১৫ বছর ধরে করে আসছেন।

বিশ্ব রাজনীতি ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে প্রভাবশালী সম্পর্ক ধরে রাখার দায়িত্ব টিম কুকের ওপর থাকায় জন টার্নাস মূল ব্যবসায়িক জায়গা, অর্থাৎ সরাসরি পণ্য উদ্ভাবন ও উৎপাদনে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের সময় নীতিগত সম্পর্ক ধরে রাখতে গিয়ে টিম কুককে যে নানামুখী বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে টার্নাস হয়ত সেখান থেকেও নিজেকে আড়ালে রাখার সুবিধা পাবেন।

এসব বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার না করলেও অ্যাপলকে তিনি কোন দিকে নিয়ে যেতে চান তা বিশ্ববাসীকে দেখানোর সুযোগ টার্নাস খুব দ্রুতই পাচ্ছেন।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত মেগা ইভেন্টে বহু প্রতীক্ষিত ‘আইফোন ১৮ প্রো’ ও ‘আইফোন আলট্রা’ উন্মোচনের মধ্য দিয়েই ঘটবে টার্নাসের আসল অভিষেক। আইফোনের ইতিহাসে প্রথম ফোল্ডএবল স্মার্টফোন হতে যাওয়া ‘আইফোন আলট্রা’ যেমন বাজারে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে তেমনই বিশ্বমঞ্চে নিজেকে সিইও হিসেবে নতুন করে চেনানোর জন্য টার্নাসের সামনে এটাই হতে যাচ্ছে প্রথম ও সেরা সুযোগ।

চ্যালেঞ্জ

যে কোনো নতুন আইফোন তৈরির এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় টার্নাসের অবদান সব সময়ই ছিল কেন্দ্রীয়। আগামী সপ্তাহের এ প্রেজেন্টেশন কেবল নতুন ফোন উন্মোচনের মধ্যে সীমিত থাকছে না, বরং বিশ্ববাসীর সামনে টার্নাসের নেতৃত্বে অ্যাপলের নতুন রূপ তুলে ধরারও এক সুবর্ণ সুযোগ।

অ্যাপলের নতুন নীতিতে পরিবর্তন বড় হোক বা ছোট– এ সুপরিকল্পিত সক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শুরুতেই বড় কোনো বড় পরিবর্তন আসছে না।

তবুও এ মঞ্চে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসা প্রতিটি কথা বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষিত হবে। কারণ, তিনি এখন কেবল বিশ্ব প্রযুক্তির সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিই নন, বরং পুরো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী একজন ব্যক্তিত্ব।

এ বর্ণাঢ্য ইভেন্টের বাইরেও কিছু গুরুতর সমস্যা ও জটিলতা উঁকি দিচ্ছে, যেগুলো সরাসরি টার্নাসের নিজস্ব দক্ষতার জায়গার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং যেগুলোর দায়ভার কোনোভাবেই সাবেক সিইও টিম কুকের পক্ষে হালকা করা সম্ভব নয়।

নতুন আইফোন ইভেন্ট শেষ হওয়ার আগেই সেসব জটিল প্রশ্ন আন্তর্জাতিক মহল থেকে ধেয়ে আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন, অন্যান্য প্রতিযোগী কোম্পানির মতো একই গতি, বিনিয়োগ ও প্রচারণা নিয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খাতে নামতে দেরি করেছে অ্যাপল।

পাশাপাশি, এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত জোর দিতে গিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর সংকট দেখা দিয়েছে, যা প্রযুক্তি বিশ্বে ‘র‍্যামাগেডন’ নামে পরিচিতি।

ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বাড়াতে বড় বড় এআই কোম্পানি বিপুল পরিমাণ মেমোরি চিপ কিনে নেওয়ায় বিশ্ববাজারে মেমোরির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

এর প্রভাবে, এরইমধ্যে কিছু পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে অ্যাপল। ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইফোন উৎপাদন করা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে কোম্পানিটি আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছিল।

এসব জটিলতা ও জল্পনা-কল্পনার উত্তর লুকিয়ে রয়েছে আগামী সপ্তাহের এ নতুন আইফোন উন্মোচন ইভেন্টে। আগামী সপ্তাহে টার্নাস বিশ্বমঞ্চে পা রাখার সময় কেবল তার নেতৃত্বে অ্যাপল কীভাবে চলবে সেই ঝলক দেখার সুযোগই দেবে না, বরং তার নেতৃত্ব গুণেরও এক অভূতপূর্ব পরীক্ষা নেবে, যা হয়ত বিশ্বপ্রযুক্তি প্রেমীদের কাছে তার দীর্ঘদিনের রহস্যময় রূপটি কিছুটা হলেও উন্মোচন করবে।

আরও পড়ুন…

অ্যাপলের নেতৃত্বে নতুন মুখ

৯ সেপ্টেম্বর নতুন আইফোন আসছে অ্যাপলের নতুন সিইও'র হাত ধরে

'ম্যাকবুক নিও' অ্যাপলে টার্নাস যুগেরই এক ঝলক?

টার্নাস যুগ: অ্যাপলের এআই কৌশলে পরিবর্তনের অপেক্ষা

বিনোদন জগতেও অ্যাপলকে শীর্ষে দেখতে চান নতুন সিইও

‘অ্যাপল পরিবারের প্রতি ভালোবাসা থাকবে চিরকাল’, বিদায়ী বার্তায় টিম কুক