১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার টিকটকের বিরুদ্ধে মামলা করল ইউটাহ

মামলায় টিকটককে এমন ‘স্লট মেশিনের’ সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যেখানে ভিডিও সোয়াইপ করানোর মাধ্যমে ‘ডোপামিন ম্যানিপুলেশন’ চালানো হয়।

এবার টিকটকের বিরুদ্ধে মামলা করল ইউটাহ

|

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Oct 2023, 05:27 PM

Updated : 11 Oct 2023, 05:27 PM

শিশু নিরাপত্তা ও চীনা মালিকানা থাকার অভিযোগে এবার টিকটকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য ইউটাহ।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অভিযোগে অ্যাপটিকে ‘আসক্তিমূলক পণ্য’ বলে আখ্যা দেন ইউটাহ’র অ্যাটর্নি জেনারেল শন রেইস। আর চীনা মালিক কোম্পানি বাইটডান্সের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করার কথাও উল্লেখ রয়েছে ওই মামলায়।

সামাজিক মাধ্যম নিয়ে অঙ্গরাজ্যটিতে সম্প্রতি এমন কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কঠোর বলে বিবেচিত। এর মধ্যে রয়েছে শিশুর সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের জন্য অভিভাবকের অনুমতির বিষয়টিও।

মামলায় টিকটককে এমন ‘স্লট মেশিনের’ সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যেখানে ভিডিও সোয়াইপ করানোর মাধ্যমে ‘ডোপামিন ম্যানিপুলেশন’ চালানো হয়।

অঙ্গরাজ্যটির দাবি, এমন অভ্যাস ‘তুলনামূলক কম বিকশিত’ মস্তিষ্কওয়ালা ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মামলায় আরও উল্লেখ রয়েছে, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ফলে মানসিক স্বাস্থ্যে যে প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সার্জন জেনারেল’। পাশাপাশি, টিকটকের নিজস্ব পরিসংখ্যান দেখিয়ে এর মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

“শিশু ও অভিভাবকরা জানেন না, টিকটক অ্যাপের সুরক্ষা নিয়ে সত্য বলছে না ও তাদের অ্যাপ ব্যবহারে প্রলুব্ধ করছে। এ ছাড়া, তাদের পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক বিকাশে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েও কাজ করেনি অ্যাপটি।” --উল্লেখ রয়েছে মামলায়।

মামলায় টিকটকের সঙ্গে চীনের যোগাযোগের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

“তদন্ত এড়ানোর উদ্দেশ্যে ইউটাহ’র গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করেছে টিকটক। এ ছাড়া, চীনভিত্তিক মালিক কোম্পানি বাইটড্যান্স টিকটককে কতোটা নিয়ন্ত্রণে রাখে, সে সম্পর্কেও তথ্য দেওয়া হয়নি।”

এর আগে চীনা সরকারের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ নাকচ করে টিকটক বলেছে, ডেটা নিরাপত্তার পেছনে তারা দেড়শ কোটি ডলারের বেশি খরচ করেছে। নিয়ন্ত্রকদের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সম্প্রতি ‘ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিবিলিটি’ নামে নতুন বিভাগও খুলেছে কোম্পানিটি।