Published : 02 Jul 2026, 12:55 AM
দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া কোম্পানির শেয়ার দরের ওপর আরোপ করা সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করার দায়িত্ব পেয়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।
বুধবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিশন সভার পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি বলেছে, সার্কিট ব্রেকার সীমাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের ‘মাপকাঠি স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের’ জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে সার্কিট ব্রেকার সংক্রান্ত বিএসইসির ২০২০ সালে দেওয়া সার্কুলার বাতিল করা হয়েছে।
সংস্থার চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্ব এদিনের কমিশন সভায় বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ডিভিডেন্ড বন্টনের বিষয়েও নতুন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এখন থেকে বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি চাইলে ডিভিডেন্ড বন্টন না করে পুন:বিনিয়োগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সম্পদ ব্যবস্থাপককে প্রস্তাব দিতে হবে।
সার্কিট ব্রেকার হলো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর এক দিনে সর্বোচ্চ কত শতাংশ বাড়তে বা কমতে পারে সেটির একটি সীমা।
সাধারণভাবে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কোনো শেয়ারের দর বাড়া ও কমানোর সর্বোচ্চ এ সীমা ১০ শতাংশ।
তবে শেয়ার প্রতি দর অনুযায়ী সীমা ভিন্ন হয়ে থাকে। শেয়ার দর ২০০ টাকা পর্যন্ত হলে সার্কিট ব্রেকারের সীমা হচ্ছে ১০ শতাংশ; ২০১ থেকে ৫০০ টাকা হলে ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ; ৫০১ থেকে ১০০০ টাকা হলে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ; এক হাজার ১ থেকে ২০০০ টাকা হলে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ; ২ হাজার ১ থেকে ৫ হাজার টাকা হলে ৫ শতাংশ এবং এর চেয়ে বেশি দরের শেয়ারের বেলায় ৩ শতাংশ ৭৫ শতাংশ।
একদিন এ সীমার মধ্যে শেয়ার দর ওঠানামা করতে পারবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার মনে করছেন সার্কিট ব্রেকারের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে থাকাই ভালো।
একক কোনো কোম্পানির বেলায় সার্কিট ব্রেকারের সীমায় কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না কি না স্টক এক্সচেঞ্জ- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটিও করা সম্ভব হবে।