পদকের রং বদলাতে পারলেন না জিন্নাত, পেলেন ব্রোঞ্জ
ব্রোঞ্জ জয়ের পর উশু খেলোয়াড়দের সারা বছর অনুশীলনের জন্য কমপ্লেক্স চাইলেন তিনি।
লড়াইয়ের প্রত্যয় ছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিলেন চীনের ডি উই। জিন্নাত আক্তার পারেননি অভাবনীয় কিছু করতে। প্রথম রাউন্ডেই তিনি ছিটকে পড়লেন। তাতে পদকের রং বদলানো হলো না জিন্নাতের। এশিয়ান গেমসের উশুতে ব্রোঞ্জ পেলেন তিনি।
নারীদের ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টে পদক জিতে দারুণ প্রাপ্তিও অবশ্য হয়ে গেল জিন্নাতের। উশু থেকে এই প্রথম এশিয়ান গেমসে পদক পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অতীতে জেতা ১৪টি পদকের মধ্যে মাত্র একটি ছিল ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে। ১৯৮৬ সালে সিউলের আসরের বক্সিং ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মোশাররফ হোসেন। ৪০ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে জিন্নাতের হাত ধরে এলো দ্বিতীয় পদক।
‘বাই’ পেয়ে প্রাথমিক রাউন্ড পার হয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছিলেন জিন্নাত। সেমি-ফাইনালের প্রতিযোগী ইন্দোনেশিয়ার থারিসা দিয়া ফ্লোরেন্তিনার সাথেও তাকে লড়তেই হয়নি। ওজন পরিমাপে ফ্লোরেন্তিনা ‘পাস’ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ হন। সেরা চারে খেলারি পাশাপাশি ব্রোঞ্জ পদক পাওয়াও নিশ্চিত হয়ে যায় জিন্নাতের।
ডি উইয়ের বিপক্ষে তাই প্রথম ‘লড়াইয়ে’ নামেন জিন্নাত। কিন্তু প্রতিপক্ষর গতি, ক্ষিপতার সামনে তিনি ছিলেন অসহায়। কোনো প্রতিরোধ গড়তে না পেরে হেরে যাওয়ার পর হতাশাই ঝরল তার কণ্ঠে।
“আমাদের যেহেতু নিজস্ব ভেন্যু নাই। আমরা অনুশীলন করতে পারছি না। আমাদের ধারাবাহিক অনুশীলন দরকার। একটা খেলোয়াড়… যেমন চীনের অ্যাথলেটরা সারা বছর অনুশীলন করে, তাদের বিশ্বের মধ্যে এক নাম্বার। আমরা যদি তাদের মতো মাঠ পাই, কোচ পাই, তাহলে আমরা সামনের এশিয়ান গেমসে সোনা বা রুপা নিজে যেতে (দেশে ফিরতে) পারব। সরকারের কাছে আমার আবেদন, ওদের মতো আমাদের অনুশীলনের জন্য একটা ভেন্যু, কমপ্লেক্স করে দিন।
