Published : 17 Jun 2026, 03:58 PM
লম্বা সময় পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে ফেরার আনন্দ প্রথম ম্যাচ হেরেই অনেকটা বিষাদে রূপ নিয়েছে। মেক্সিকোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জন্য তীব্র সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। দেশের সমর্থকদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পছন্দ হচ্ছে না থাপেলো মাসেকোর। তিন বছর আগে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে তাদের তৃতীয় হওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।
২০১০ সালে আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপে খেলা দক্ষিণ আফ্রিকা এবার বাছাই পেরিয়ে জায়গা করে নেয় বিশ্ব মঞ্চে। আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে তারা মুখোমুখি হয় সহ-আয়োজক মেক্সিকোর। স্বাগতিকদের বিপক্ষে সেদিন তেমন লড়াই-ই করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা, হেরে যায় ২-০ গোলে।
মরক্কো, কোত দি ভোয়া, কেপ ভার্দে ও মিশরের মতো অন্য আফ্রিকান দেশগুলো যেখানে প্রথম রাউন্ডে দারুণ পারফর্ম করেছে, সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার এমন আত্মসমর্পণ দেশটির ফুটবলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স থেকে শুরু করে কোচ হুগো ব্রুশের কৌশলকেও তোলা হচ্ছে কাঠগড়ায়।
২০২৩ সালের আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সেও শুরুটা বাজে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ম্যাচে মালির বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে গিয়েছিল তারা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেমি-ফাইনাল খেলেছিল দলটি। যদিও ফাইনালে উঠতে পারেনি টাইব্রেকারে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে হেরে।
বিশ্বকাপে নিজেদের পরের ম্যাচের আগে তাদের নিয়ে চলমান সমালোচনা উড়িয়ে দেন উইঙ্গার মাসেকো। তার মতে, দলের এই কঠিন পরিস্থিতিতে ২০২৩ আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের স্মৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া উচিত সবার।
“আমি একটা বিষয় খেয়াল করেছি যে, আপনি জিতলে দক্ষিণ আফ্রিকানরা খুশি। কিন্তু যখন আপনি হারবেন, তাদের চোখে আপনি সবচেয়ে খারাপ। এটাই সত্যি।”
“আমাদের দলে হৃদয় দিয়ে খেলা বড় মাপের ফুটবলার আছে। কেউ যদি এই দলকে নিয়ে সন্দেহ করে, তাহলে তাদের আবার ভাবা উচিত। ২০২৩ আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে খেলতে গিয়ে প্রথম ম্যাচে আমরা হেরেছিলাম। তবে সেখান থেকে ঠিকই নিজেদের টেনে তুলেছিলাম এবং ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে দেশে ফিরেছিলাম।”
আগামী বৃহস্পতিবার চেকিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।