Published : 01 Jul 2026, 03:00 PM
স্তল সুলবাকেন একাদশ দেওয়া মাত্রই একটা জায়গায় প্রথম হয়ে গেল নরওয়ে। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে অন্তত ১০টি পরিবর্তন করা দেশ কেবল তারাই!
শেষ বত্রিশে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে নরওয়ে। ম্যাচের অর্জনগুলো তুলে ধরা হলো-
১
প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে টানা দুই ম্যাচে অন্তত ১০টি পরিবর্তন করেছে নরওয়ে। গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সের বিপক্ষে নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেন কোচ সুলবাকেন। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ফেরান তাদের সবাইকে।
১
১৯৩৮ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নরওয়ের হয়ে প্রথম গোল করলেন আন্তোনিও নুসা।
১৯৩৮ আসরে কোনো গ্রুপ পর্ব ছিল না। খেলা শুরু হয়েছিল শেষ ষোলো দিয়ে।
৩
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম তিন ম্যাচের প্রতিটিতে অন্তত একটি গোলে অবদান রাখা তৃতীয় খেলোয়াড় নরওয়ে অধিনায়ক মার্টিন ওদেগোর। প্রথম এই কীর্তি গড়েন সেই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ইগর বেলানভ, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। অন্য জন হলেন জার্মানির মাইকেল বালাক (২০০২ বিশ্বকাপ)।
৩
আফ্রিকার তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে বদলি নেমে বিশ্বকাপের এক আসরে দুই গোল করলেন আমাদ জিয়ালো। ১৯৯০ সালে প্রথম এই কীর্তি গড়েন রজার মিলা, তিনি করেন চার গোল। এই আসরেই পেপে গেয়ি করেছেন দুটি।
৪
আইভরি কোস্টের ইয়ান ডিওমান্ডে আফ্রিকার দ্বিতীয় ফুটবল হিসেবে টিনএজার থাকতেই বিশ্বকাপে খেললেন চার ম্যাচ। প্রথম জন নাইজেরিয়ার সানেড ওলিসে, তিনি খেলেন ১৯৯৪ আসরে।
৫
আসরে আর্লিং হলান্ডের গোল হলো পাঁচটি। তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসির। তারা করেছেন ছয়টি করে গোল।
১৩
নরওয়ের হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে টানা ১৩ ম্যাচে জালের দেখা পেলেন হলান্ড। এই সময়ে তিনি করলেন ২৫ গোল।
৪৬
এই আসরে বদলি খেলোয়াড়রা করেছেন ৪৬ গোল। যা ২০২২ কাতার আসর (৩০) ও ২০১৮ রাশিয়া আসরের (১৬) মিলিত গোলের সমান।
৪৮
নরওয়ের ডি বক্সে ৪৮টি স্পর্শ ছিল আইভরি কোস্টের। ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপে আফ্রিকার কোনো দেশের যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
আর নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচে হেরে যাওয়া দলের দিক থেকে এর চেয়ে বলে স্পর্শ আছে কেবল দুটি। ২০১৮ আসরে বেলজিয়ামের ডি বক্সে ৫২টি স্পর্শ ছিল ব্রাজিলের। আর ১৯৭০ সালে ইতালির বিপক্ষে ৪৯টি স্পর্শ ছিল সেই সময়ের পশ্চিম জার্মানির।