Published : 25 Jun 2026, 03:45 PM
একবার নয়, দুইবার পিছিয়ে পড়ল মরক্কো। তবে তাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারল না হাইতি। তাদের জালে চারবার বল পাঠিয়ে একটি প্রথমের দেখা পেল আফ্রিকার দেশটি। বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার পিছিয়ে পড়ার পরও জিততে পারল মরক্কো।
হাইতিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে নক আউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে মোহামেদ ওয়াহবির দল। গোল পার্থক্যে ব্রাজিলের পেছনে পড়ে ‘সি’ গ্রুপে হয়েছে রানার্সআপ। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, এই ম্যাচে অর্জনগুলো।
৩
১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপের পর তৃতীয়বারের মতো নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মরক্কো।
১
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জয় পেল মরক্কো। এর আগে পিছিয়ে পড়ে দলটির সেরা ফল ছিল ড্র, ১৯৭০ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে। পিছিয়ে পড়া বাকি ১১ ম্যাচে হারে তারা।
২
ম্যাচের ১০ ও ৪৩ মিনিটে দুই দফায় পিছিয়ে পড়ে মরক্কো। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় দলটি। দ্বিতীয় আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও জিতল মরক্কো।
এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে দুইবার পিছিয়ে পড়ে জয় পায় নাইজেরিয়া।
১
মরক্কোর হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৯৯ ম্যাচে ১২ গোল করেছেন আশরাফ হাকিমি। তবে, এর কোনোটিই বিশ্বকাপে নয়। হাইতির বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান তিনি। বিশ্বকাপে ১৩ ম্যাচে হাকিমির গোল একটি।
২১
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ২১টি সুযোগ তৈরি করেছেন আশরাফ হাকিমি। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর আফ্রিকান ফুটবলারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে আইভরি কোস্টের ইয়াইয়া তুরে ২৩টি সুযোগ তৈরি করেন।
১+১
হাইতির বিপক্ষে একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন আশরাফ হাকিমি ও সুফিয়ান রাহিমি।
এর আগে একমাত্র মরক্কোন ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে এই কীর্তি ছিল আব্দেলজালিল হাদ্দার। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট করেন তিনি।
৩
দ্বিতীয় আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিন গোল করার রেকর্ড গড়েছেন ইসমাইল সাইবারি। এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে সেনেগালের পাপা বৌবা দিয়ুপ গ্রুপ পর্বে তিন গোল করেন।
আফ্রিকার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গ্রুপের তিন ম্যাচেই জালের দেখা পান সাইবারি।
২০ বছর ২১৪ দিন
গেসিমে ইয়াসিনের মরক্কোর চতুর্থ গোলটি করেন। ২০ বছর ২১৪ দিন বয়সে জাল খুঁজে নিয়ে তিনিই এখন বিশ্বকাপে দেশটির সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা।