Published : 16 Jul 2026, 02:38 PM
অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের পর থেকে লাউতারো মার্তিনেসের গোল, মাঝের ৩৭ মিনিটে ইংল্যান্ডের পায়ে বল ছিল স্রেফ ১২ শতাংশ! এই পরিসংখ্যানেই ফুটে উঠছে ইংলিশদের কৌশল। আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাওয়ার পর অনুমিতভাবেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে কেচ টমাস টুখেলকে। কোচ অবশ্য নিজের ভাবনায় অটল, কৌশল নিয়ে কোনো আফসোস তার নেই।
খেলার শুরু থেকে পরের সময়টায় বেশি ভাগ নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডের। ৫৫ মিনিটে গর্ডনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর হুট করেই বদলে যায় চিত্র। একদমই খোলসে ঢুকে যায় ইংলিশরা। গোল ধরে রাখার জন্য পুরোপুরি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে তারা। একপর্যায়ে এমনকি হ্যারি কেইনও টানা রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকেন।
সেই কৌমলে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত কাজ হলেও শেষ রক্ষা হয়। পরের সময়টায় ২ গোল করে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের পর সেই অতি রক্ষণাত্মক কৌশলের প্রশ্নে টুখেল বললেন, তার ছক প্রায় সফল হয়েই যাচ্ছিল।
“এই বিষয়ে লাখ লাখ কোচের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। (কিন্তু) আমাকে মাঠেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আমি ম্যাচটি বিশ্লেষণ করেছি এবং একটি নির্দিষ্ট উপায়ে খেলেছি, তাই এটি আমার দায়িত্ব। এই মুহূর্তে কোনো আফসোস নেই। দল তাদের সর্বস্ব দিয়ে খেলেছে এবং আমরা জয়ের খুব, খুব কাছাকাছি ছিলাম।”
“পুরো টুর্নামেন্ট বিশ্লেষণ করার সময় এটা নয়, আমরা কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হেরেছি বলেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছি।”
রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণেই এমন কিছু বদলি টুখেল করেছেন, যা নিয়েও উঠছে বিস্তর প্রশ্ন। রক্ষণ সামলানোর জন্যই একের পর এক পরিবর্তগুলো করেছে তিনি।
সেটির পক্ষে নিজের যুক্তি তুলে ধরলেন জার্মান এই কোচ।
“ভেতরের ফাঁকগুলো বন্ধ করতে এবং বাতাসে শক্তিশালী হতে আমরা পাঁচজনের রক্ষণভাগে গিয়েছিলাম, কারণ আমাদের গোলের ঠিক পরেই, কোনো বদলি ছাড়াই, আমরা অনেক বেশি ক্রস এবং অনেক বেশি সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিলাম।
“আমরা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু … দায় অবশ্যই কোচের ওপরই বর্তায় এবং যদি তা ঠিকঠাক না হয়, তবে এটা বলা সহজ যে, কৌশল ভুল ছিল।”