‘ডে ব্রুইনে সর্বকালের সেরাদের একজন’

অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডারকে সময়ের সেরা তিন ফুটবলারের মধ্যে রাখেন তার জাতীয় দল সতীর্থ আমাদু ওনানা।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 16 Nov 2022, 04:14 PM
Updated : 16 Nov 2022, 04:14 PM

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নিশ্চিতভাবেই থাকবেন কেভিন ডে ব্রুইনে। ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার চোখে বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার তার দলের এই ফুটবলার। বেলজিয়ামের তরুণ মিডফিল্ডার আমাদু ওনানা আরেক ধাপ এগিয়ে। তার মতে, ডে ব্রুইনে শুধু নিজের পজিশনেই নয়, বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের সেরাদের একজন।

গত পাঁচ মৌসুমের মধ্যে সিটির চারটি লিগ শিরোপা জয়ে ডে ব্রুইনের অবদান অনেক বড়। গত মৌসুমে লিগ জয়ের পথে ৩০ ম্যাচে ১৫ গোল করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন তিনিই।

২০১৫ সালের মাঝামাঝি ইতিহাদ স্টেডিয়ামের দলটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে প্রতি মৌসুমেই ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করছেন ৩১ বছর বয়সী এই ফুটবলার। নিজে গোল করে এবং সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে নিয়মিত অবদান রাখছেন দলের জয়ে।

মাঠে গতিময় ছুটে চলা, প্রতিপক্ষের রক্ষণ চিরে সুযোগ তৈরি করা- কাজগুলি তিনি করে আসছেন নিয়মিত। সিটির মাঝমাঠে তার এমন নান্দনিক উপস্থিতি অনেক দিন ধরেই।

এখন কাতার বিশ্বকাপের জন্য বেলজিয়াম জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন ডে ব্রুইনে। প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় থাকা ওনানাও খেলেন প্রিমিয়ার লিগে, এভারটনে। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার প্রশংসায় ভাসালেন জাতীয় দলের সতীর্থকে।

"তার টেকনিক্যাল সামর্থ্য, তার দূরদৃষ্টি... সে এককথায় অসাধারণ। তিনি এমন পাস দিতে পারেন, যেটা অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয়। আমার মতে, বিশ্বের সেরা তিন ফুটবলারের একজন তিনি। সর্বকালের সেরাদের একজন।”

গত জুনে উয়েফা নেশন্স লিগ দিয়ে বেলজিয়ামের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় সেনেগালে জন্ম নেওয়া ওনানার। বেলজিয়াম দলে ডে ব্রুইনের পাশাপাশি আছেন থিবো কোর্তোয়া, রোমেলু লুকাকু, এদের আজারের মতো তারকা। যাদেরকে বলা হয় বেলজিয়ামের ‘সোনালী প্রজন্ম।’ ওনানা তুলে ধরলেন, সবাই কতটা সহায়তা করে তাকে।

“ড্রেসিং রুমে চারপাশে তাকালে অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করে। তখন মনে হয়, ‘আরে, এরা তো তারাই, যাদের সঙ্গে আমি প্লেস্টেশনে খেলতাম!’”

“তারা বিশ্বমানের খেলোয়াড়, আমিও একজন ভালো খেলোয়াড়। যখন প্রথম আমি জাতীয় দলে আসি, তারা সত্যিই আমার ভালোভাবে দেখাশোনা করেছিল। কীভাবে আমি মানিয়ে নিতে পারি, সেই পরামর্শ দিয়েছিল। তাদের সঙ্গে থাকতে পারা আনন্দের। আমরা একসঙ্গে উপভোগ করছি।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক