১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ফিলিপিন্সের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ আলপিদের

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ উইমেন’স এশিয়ান কাপের বাছাই পেরুতে জয়ের প্রয়োজন মেটাতে পারেনি বাংলাদেশ।

ফিলিপিন্সের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ আলপিদের

ফিলিপিন্সের বিপক্ষে হেরে বাছাই থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: বাফুফে

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 11 Oct 2026, 07:11 PM

Updated : 11 Oct 2026, 07:11 PM

শারীরিক গড়নে, টেকনিক্যালি এগিয়ে থাকা ফিলিপিন্সকে দৃঢ়তাপূর্ণ রক্ষণে অনেকটা সময় আটকে রাখল বাংলাদেশ। সে দেয়ালে চিড় ধরল ৭৩তম মিনিটে। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে, বাছাই পেরুনোর সমীকরণ মেলানোর মতো কিছুই করতে পারল না দল। গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ার হতাশা সঙ্গী হলো আলপি-মেঘলাদের।

উজবেকিস্তানের তাসখন্দে রোববার এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ উইমেন’স এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে ফিলিপিন্সের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। ‘এইচ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে থামল সাইফুল বারী টিটুর দলের পথচলা।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুই দলই জিতেছিল উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। ফিলিপিন্সের জয় ছিল ৪-০ গোলে, বাংলাদেশের ২-১ ব্যবধানে। ফলে, গ্রুপ সেরা হতে ফিলিপিন্সের জন্য ড্রই ছিল যথেষ্ট। বাংলাদেশের সামনে জয়ের বিকল্প কোনো পথ ছিল না।

কঠিন সমীকরণ মেলাতে নেমে শুরু থেকেই কোণঠাসা মুন্নী-রানীরা। খেলা হতে থাকে বাংলাদেশের অর্ধে। তবে, দারুণ দূঢ়তায় প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ সামলে নিচ্ছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ মিনিটে গোলমুখ থেকে সম্ভাব্য বিপদ ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার মৌসুমী আক্তার।

ষোড়শ মিনিটে দূরপাল্লার শট ঝাঁপিয়ে গ্লাভসে জমানোর পর, ২৩তম মিনিটে কাছের পোস্ট দিয়ে আসা শটও ফেরান গোলকিপার মেঘলা রানী রায়। পাঁচ মিনিট পর আরিনা সোফিয়ার শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

কুলিং ব্রেকের পর, বাংলাদেশের খেলায় কিছুটা ধার ফিরে। বলের নিয়ন্ত্রণ রাখার দিকে মনোযোগী হয় দল। ৪৩তম মিনিটে সতীর্থের ক্রসে মৌসুমীর হেড পোস্টের অল্প একটু বাইরে দিয়ে যায়। এটিই ছিল বাংলাদেশের বলার মতো প্রথম আক্রমণ।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দূর্ভাগ্য পথ আগলে দাঁড়ায় বাংলাদেশের। বক্সের বাইরে থেকে আলপি আক্তারের বাম পায়ের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে।

দ্বিতীয়ার্ধেও কোণঠাসা বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভাঙে ৭৩তম মিনিটে। বাম দিক থেকে আসা ক্রস পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি এক ডিফেন্ডার। বল গিয়ে পড়ে মায়া রোজ বাসকারার পায়ে। তড়িৎ শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।

শেষ দিকে নোয়েল্লে গ্রানজার জোড়া গোল করেন। ৯০তম মিনিটে বক্সের ভেতরে ডান দিক থেকে কোনাকুণি শটে, এরপর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বাম দিক থেকে গোল করেন তিনি। তাতে বাংলাদেশকে ছিটকে দিয়ে টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে মূল পর্বে ওঠে ফিলিপিন্স।