Published : 05 Feb 2026, 07:35 PM
রাউন্ড রবিন লিগে তিন ম্যাচের সবগুলোতে জয়, ভারতকে হারানোর তৃপ্তি-সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসে টইটুম্বুর বাংলাদেশ এখন তাকিয়ে ফাইনালে। অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাসের কণ্ঠেও সেই আত্মবিশ্বাসের স্ফুরণ। বললেন, রাউন্ড রবিন লিগের মতো ফাইনালেও ভারতকে হারানোর ভরপুর প্রাণশক্তি আছে তাদের।
পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে শনিবার বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে মুখোমুখি হবে এই দুই দল। রাউন্ড রবিন লিগে অর্পিতা ও আলপি আক্তারের লক্ষ্যভেদে ভারতকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
শতভাগ সাফল্য নিয়ে রাউন্ড রবিন লিগ শেষ করা অপির্তাদের বৃহস্পতিবার কোনো অনুশীলন করাননি কোচ পিটার জেমস বাটলার। রিকভারির দিকে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার হবে মাঠের অনুশীলন।
রিকভারি আর বিশ্রামে সময় কাটালেও দলের ভাবনার অলিন্দে যে আবারও ভারতকে হারানোর ইচ্ছা প্রবলভাবে উঁকি দিচ্ছে, তা ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন অপির্তা।
“দলের অবস্থা ভালো, কারো চোট নেই, সবাই মোটামুটি ফিট আছে। যেহেতু আমাদের পরশু দিন ফাইনাল খেলা, সবাই ফিট আছে। ফাইনালে লড়াই করার মতো সবার মানসিক প্রস্তুতি আছে। ইনশাআল্লাহ আমরা ফাইনালে ভালো কিছু করব।”
“যেহেতু ভারতকে আমরা একবার হারিয়েছি, তো আবার তাদের সাথেই ফাইনাল খেলা। আমাদের মধ্যে আলাদা একটা প্রাণশক্তি কাজ করছে। যেহেতু তাদেরকে আমরা ইতোমধ্যে একবার হারিয়েছি, তো আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি যে, আমরা তাদেরকে আবার হারাতে পারব এবং চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বাংলাদেশে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।”
বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাটি এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরি মিলিয়ে ছয়বার মাঠে গড়িয়েছে। বাংলাদেশ চারবার ও ভারত একবার এককভাবে হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। ২০২৪ সালের আসরে যৌথভাবে সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত।
অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরিতে এর আগের দুই আসরে দুইবারই ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। ২০২১ সালে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে ম্যাচ কমিশনারের সেই আলোচিত ‘টস কাণ্ডের’ পর দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছিল সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরির ওই দুটি আসরের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম নেপাল আয়োজন করছে বয়সভিত্তিক এই ক্যাটাগরির আসর। হিমালয়ের দেশ থেকে ট্রফি নিয়েই ঘরে ফেরার পণ অপির্তার।
“ট্রফি অবশ্যই বাংলাদেশে যাবে। আমরা মরণপণ চেষ্টা করব ট্রফিটা বাংলাদেশে নিয়ে যেতে।”