৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

কেইনকে মেসি-রোনালদোর ‘পর্যায়ে পৌঁছাতে’ সাহায্য করেছেন মরিনিয়ো

টটেনহ্যাম হটস্পারে জুজে মরিনিয়োর সঙ্গে কাটানো দুই বছরের সময়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ব্যালন দ’র জয়ী ইংলিশ তারকা।

কেইনকে মেসি-রোনালদোর ‘পর্যায়ে পৌঁছাতে’ সাহায্য করেছেন মরিনিয়ো

যখন টটেনহ্যাম হটস্পারে ছিলেন জুজে মরিনিয়ো ও হ্যারি কেইন। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 31 Oct 2026, 08:42 PM

Updated : 31 Oct 2026, 08:42 PM

প্রথমবারের মতো ব্যালন দ’র জয়ের পেছনে জুজে মরিনিয়োর ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন হ্যারি কেইন। ইংলিশ তারকা বলেছেন, টটেনহ্যাম হটস্পারে থাকাকালীন পর্তুগিজ কোচ তার সঙ্গে দারুণ কাজ করেছিলেন, যা তাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

গত মৌসুমে ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও জাতীয় দলের হয়ে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে গত সোমবার ব্যালন দ’র জেতেন কেইন। দ্বিতীয় হওয়া কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে ২৮ পয়েন্ট বেশি পেয়ে বর্ষসেরা নির্বাচিত হন তিনি।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৩৩ বছর বয়সি কেইন তুলে ধরেন, এই অর্জনের পেছনে মরিনিয়োর ভূমিকা কতটা। টটেনহ্যামে এই কোচের সঙ্গে কাটানো দুই বছরের সময়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।

“মরিনিয়োর সঙ্গে সেই আলোচনা আমার খুব ভালোভাবে মনে আছে, যেটি এখন ভাইরাল হয়েছে। অনেক কিছু নিয়ে কথা হয়েছিল, কারণ আমি বলেছিলাম যে, আমি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বা মেসির পর্যায়ে পৌঁছাতে চাই। জুজে (মরিনিয়ো) বলেছিলেন, তিনি আমাকে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারেন। আর তিনি সেটা করেছিলেনও।

“দারুণ এক অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি আমার খেলার উন্নতিতে সাহায্য করেছেন। টটেনহ্যামে তিনি আমাকে অনেক স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, যার ফলে আমার সব গুণাবলি পুরোপুরি মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছিলাম আমি।”

২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টটেনহ্যামের দায়িত্বে ছিলেন মরিনিয়ো। ২০১০ সালে পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে স্বদেশের এই ক্লাবে খেলা কেইন ২০২৩ সালে পাড়ি জমান বায়ার্নে।

নিজের উন্নতির পেছনে মরিনিয়োর অবদান কতটা, সেটা আবারও বললেন ইংল্যান্ডের রেকর্ড গোলস্কোরার।

“আমার মনে হয়, তিনি চলে যাওয়ার পরও প্রতি বছর উন্নতি করেছি আমি। আমার বিকাশে তার স্পষ্ট অবদান রয়েছে। তার ব্যক্তিত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। যদিও স্বভাবের দিক থেকে আমি তার মতো নই, তবে তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং নিজের বিশ্বাসের পক্ষে অটল থাকার বিষয়টি আমি দারুণ পছন্দ করতাম। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এমনকি তিনি আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি বার্তাও পাঠিয়েছেন।”

নিজেকে অন্য ধাঁচের খেলোয়াড় মনে করেন কেইন।

“জানি, আমি এমন খেলোয়াড় নই, যে ১০ জন প্রতিপক্ষকে ড্রিবল করে কাটিয়ে গোল করবে; তবে আমি বিভিন্ন উপায়ে প্রতিপক্ষ দলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারি। কর্নারের সময় দলকে বল ক্লিয়ার করতে সাহায্য করা, প্রতিপক্ষের শট ব্লক করা কিংবা প্রতিপক্ষ পাল্টা আক্রমণ শুরু করলে দ্রুত রক্ষণভাগে ফিরে আসা-এসব কাজও একজন খেলোয়াড়কে জানতে হয়। এই ধরনের আড়ালে থাকা কাজগুলো করতেও সবসময় প্রস্তুত থাকি আমি।”