কেইনের হাতেই ব্যালন দ’র দেখছেন টুখেল
চার বছর পরের বিশ্বকাপেও হ্যারি কেইন দাপটে খেলতে পারবেন বলে বিশ্বাস ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলের।
বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে অসাধারণ এক মৌসুম। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পাফরম্যান্স। ক্লাব ও দেশের এমন দারুণ যুগলবন্দির পর এবারের ব্যালন দ’র হ্যারি কেইনের প্রাপ্য বলে মনে করেন টমাস টুখেল। ইংল্যান্ডের কোচের বিশ্বাস, চার বছর পরের বিশ্বকাপেও দাপটে খেলে যেতে পারবেন ইংলিশ অধিনায়ক।
এবারের ব্যালন দ’র জয়ের লড়াইয়ে লামিন ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপেদের সঙ্গে প্রবলভাবেই আছেন কেইন। গত মৌসুমে ক্লাব ও দেশের হয়ে স্মরণীয় এক মৌসুমে মোট ৭৩টি গোল করেন তিনি। বায়ার্ন জিতে নেয় বুন্ডেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপের শিরোপা। বিশ্বকাপে তৃতীয় হয় ইংল্যান্ড, গত ৬০ বছরে যা বিশ্ব আসরে তাদের সেরা সাফল্য।
২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর ইংল্যান্ডের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ব্যালন দ’র জয়ের সম্ভাবনা তার যথেষ্টই উজ্জ্বল।
টুখেলের মতে, পুরস্কারটি তার অধিনায়কেরই প্রাপ্য। কেইন পেতে পারেন কি না, আইটিভির এই প্রশ্নে কোচ বললেন, “হ্যাঁ, এরকম একটি মৌসুমের পর, অবশ্যই হ্যাঁ। ৭০টির বেশি গোল, বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে তিনটি শিরোপা, বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনাল...।”
ইংল্যান্ড কোচ বললেন, বয়সের সঙ্গে ধার কমছে না কেইনের, বরং তিনি পরিপূর্ণ হয়ে উঠছেন আরও।
“সে দিন দিন আরও ভালো হচ্ছে। আমার মনে হয়, সে তার খেলায় শারীরিক শক্তির একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে সে। হাই প্রেসে এবং ম্যাচের প্রতিটি অংশে জড়িত থাকতে খুবই নিবেদিত। সেটা ডিপ বিল্ড-আপ হোক, ফিনিশিং হোক, মিডল ব্লকে বিল্ড-আপ প্লে হোক বা ডিফেন্ডিং। সে একজন পরিপূর্ণ ফুটবলার।”
ইংল্যান্ডের সর্বকালের সফলতম গোলস্কোর হয়ে গেছেন তিনি বেশ আগেই। এখন রেকর্ডটি সমৃদ্ধ করে চলেছেন আরও। এবারের আন্তর্জাতিক বিরতিতে নেশন্স লিগের চারটি ম্যাচ খেলতে পারলে ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডে (১২৫টি) স্পর্শ করবেন পিটার শিলটনকে।
এই রেকর্ড তো বটেই, কেইন আরও অনেক পথ পাড়ি দেবেন বলেই বিশ্বাস টুখেলের। সেই পথ কি ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্তও পৌঁছবে? যদিও ততদিনে কেইনের বয়স হবে ৩৭ ছুঁইছুঁই, তবে টুখেলের মনে কোনো সংশয় নেই।
“হ্যাঁ, কোনো সমস্যা নেই (আগামী বিশ্বকাপে খেলতে)। বয়স তো স্রেফ বয়সই। এটা কোনো ব্যাপার নয়। আসল বিষয় হলো তার মান। তার সামনে এখনও অনেক পথ বাকি।”
