Published : 23 May 2026, 02:20 PM
গোলের তালিকায় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এবং আর কয়েকজনের তুলনায় পিছিয়েই আছেন জোয়াও ফেলিক্স। তবে গোলে সহায়তার তালিকায় তিনিই সবার ওপরে। দুটি মিলিয়ে আল নাস্রের এই তারকা ছাড়িয়ে গেলেন সবাইকে। এবারের সৌদি প্রো লিগের ‘প্লেয়ার অব দা সিজন’ হয়েছেন পর্তুগিজ এই ফরোয়ার্ড।
চেলসি ছেড়ে গত বছর আল নাস্রে নাম লেখান ফেলিক্স। অভিষেক মৌসুমেই তিনি পেলেন সেরার স্বীকৃতি।
এবারের লিগে ৩৩ ম্যাচে ২০ গোল করে গোলস্কোরারদের তালিকায় ফেলিক্স আছেন পাঁচ নম্বরে। ৩১ ম্যাচে ৩৩ গোল করে শীর্ষে আল কাদসিয়াহর কলম্বিয়ান বংশোদ্ভুত মেক্সিকান ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনোনেস, ৩২ ম্যাচে ৩২ গোল আল আহলির ইংলিশ স্ট্রাইকার আইভান টনির। তিনে থাকা রোনালদোর গোল ৩০ ম্যাচে ২৮টি।
তবে ১৩টি অ্যাসিস্ট করে শীর্ষে ফেলিক্স।
রোনালদো-ফেলিক্সদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে সাত বছরের খরা কাটিয়ে এবার সৌদি লিগ জিতেছে আল নাস্র। সৌদি ফুটবলে পা রাখার পর রোনালদোর প্রথম শিরোপা এটি।
গত বছর ৩ কোটি ইউরোতে চেলসি থেকে আল নাস্রে আসা ফেলিক্স শিরোপা জয়ের পর কৃতিত্ব দেন কোচকে।
“ফুটবল খেলা আমাকে আনন্দ দেয়; নিজের পজিশনে খেলতেও ভালো লাগে। কোচ আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। দলকে নেতৃত্ব দিতে ও দলকে সাহায্য করতে আমাকে মাঠে নামিয়েছেন তিনি এবং দলের মনোযোগের কেন্দ্র হতে সহায়তা করেছেন। আমার মনে হয়, যখন এমনটা হয়, তখন সবকিছু ভালোভাবে চলে।”
ফেলিক্সদের কোচ জর্জ জেজুস অনুমিতভাবেই মৌসুমের সেরা কোচের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ৭১ বছর বয়সী পর্তুগিজ এই কোচ ৩৬ বছর ধরে কোচিং করাচ্ছেন। এবার আল নাস্রকে শিরোপা জেতানোর পরই অবশ্য ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এখানে তার লক্ষ্য পূরণ হয়েই গেছে।
“এটা ট্রফি সবার জন্য, এবং বিশেষ করে ক্রিস্তিয়ানো জন্য, কারণ সে এর আগে সৌদি আরবে কোনো শিরোপা জেতেনি।”
“এই চ্যালেঞ্জটি কেবল তার কারণেই গ্রহণ করেছিলাম, কারণ তাকে বলেছিলাম যে আমি তাকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করব। তাকে বলেছিলাম, ‘চলো শিরোপাটা জিতি এবং তারপর আমি চলে যাব।’ এটাই সত্যি হয়েছে এবং আমার জন্য এটিই শেষ। আল নাস্রের হয়ে এটিই আমার শেষ ম্যাচ।”