Published : 27 Sep 2025, 07:58 PM
লা লিগায় রেয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে লামিনে ইয়ামালের খেলা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা দূর করে দিয়েছেন হান্সি ফ্লিক। এই ম্যাচ দিয়েই স্প্যানিশ তরুণ সেনসেশনের মাঠে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্সেলোনা কোচ।
কুঁচকির সমস্যায় ভুগছিলেন ইয়ামাল। যে কারণে চলতি মাসের আন্তর্জাতিক বিরতির পর থেকে বার্সেলোনার হয়ে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। এই সময়ে খেলতে পারেননি ভালেন্সিয়া, নিউক্যাসল ইউনাইটেড, গেতাফে ও রেয়াল ওবিয়েদোর বিপক্ষে।
চোট কাটিয়ে ওঠার কথা শুক্রবার নিজেই জানান ইয়ামাল। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলোর একটি ভিডিও পোস্ট করে ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার লেখেন, ‘আমি ফিরে এসেছি।’
অলিম্পিক স্টেডিয়ামে রোববার লিগ ম্যাচে রেয়াল সোসিয়েদাদের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। এর দুই দিন পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে শিরোপাধারী পিএসজির বিপক্ষে লড়বে তারা। তাই লা লিগার ম্যাচটিতে ইয়ামালের খেলা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিলই।
সোসিয়েদাদ ম্যাচের আগের দিন ফ্লিকের সংবাদ সম্মেলনে অনুমিতভাবেই ওঠে ইয়ামালের মাঠে ফেরার প্রসঙ্গ। বার্সেলোনা কোচের বক্তব্যে স্বস্তি মেলার কথা ক্লাবটির সমর্থকদের।
“সে বেঞ্চে থাকবে নাকি শুরুর একাদশে জায়গা পাবে, সেটা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব। তবে সে অবশ্যই কিছুটা সময় খেলার সুযোগ পাবে।”
চোটে পড়ার আগে মৌসুমের শুরুটা বেশ ভালো করেন ইয়ামাল। লা লিগায় প্রথম তিন ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করেন দুটি করে। এরপর স্পেনের জার্সিতে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সতীর্থদের তিনটি গোলে সহায়তা করেন বুলগেরিয়া ও তুরস্কের বিপক্ষে। তবে ওই দুই ম্যাচে তাকে ৭৯ ও ৭৩ মিনিট খেলানোর সমালোচনা করেন ফ্লিক।
কুঁচকিতে কিছুটা সমস্যা নিয়ে স্পেন দলে যোগ দিয়েছিলেন ইয়ামাল। জাতীয় দলের সঙ্গে থাকাকালীন সমস্যাটা আরও বেড়ে যায়। স্পেন দল ঠিকমতো তার যত্ন নেয়নি বলে অভিযোগ তোলেন ফ্লিক। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে অক্টোবরে জর্জিয়া ও বুলগেরিয়ার মুখোমুখি হবে স্পেন। তখন জাতীয় দলে ইয়ামালকে ডাকা হবে কিনা, সেই প্রসঙ্গেও ফ্লিকের কাছে জানতে চাওয়া হয়।
“এটা আমার কাজ নয়, (ইয়ামালকে জাতীয় দলে ডাকা) স্পেন দলের কোচের কাজ। সিদ্ধান্তটি তার (লুইস দে লা ফুয়েন্তে)। তিনি ইয়ামালকে ডাকবেন কিনা, এটা তার সিদ্ধান্ত।”
৬ ম্যাচে ৫ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে আছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে শতভাগ জয়ে শীর্ষে রেয়াল মাদ্রিদ।