ছেলেবেলায় রাস্তায় খেলার কৌশল কাজে লাগিয়ে মেমফিসের গোল

মৌসুমের প্রথম গোলটি করে বার্সেলোনার ডাচ ফরোয়ার্ড মনে করলেন ছেলেবেলার স্মৃতি।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 18 Sept 2022, 05:12 AM
Updated : 18 Sept 2022, 05:12 AM

আলেহান্দ্রো বালদের পাস যখন পেলেন মেমফিস ডিপাই, ডি-বক্সের ভেতরে তখন তার প্রায় শরীর ঘেষে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের একজন। একটু পেছনে ও সামনে পাহারায় আরও দুজন। নড়ার জায়গা খুবই কম। কিন্তু চকিতে দুই পদক্ষেপের ঝলকে গায়ে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে ছিটকে কোনাকুনি শটে দারুণ এক গোল করলেন মেমফিস। এলচের সঙ্গে এই ম্যাচের পর বার্সেলোনার ডাচ ফরোয়ার্ড ফিরে গেলেন ছেলেবেলার দিনগুলোয়, যখন রাস্তায় এভাবেই কম জায়গার মধ্যে খেলতেন।

লা লিগায় শনিবার এলচের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৩-০ গোলের জয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন মেমফিস। মৌসুমে তার প্রথম গোল এটি। গোলটি হয়ে রইল তার স্কিল ও ক্ষিপ্রতার প্রমাণ। 

ঘানার বাবা ও ডাচ মায়ের সন্তান মেমফিস বেড়ে উঠেছেন নেদারল্যান্ডসের মুরড্রেশট শহরে। সেই শহরের অলিগলিতে বল পায়ে ছুটে শিখেছেন নানা কসরত। এলচের বিপক্ষে গোলটির পর তিনি বললেন, এখানে কাজে লেগেছে তার ছেলেবেলার কৌশল। 

“ছেলেবেলায় রাস্তায় রাস্তায় অনেক খেলতাম আমি। সেখানে জায়গা খুব আঁটসাঁট, অনেক স্মার্ট ফুটবল খেলতে হয়। সেখান থেকেই এসব শিখেছি। ছোট জায়গার মধ্যে খেলার বেশ কিছু স্কিল আছে আমার ঝুলিতে, এটা তেমনই একটি।” 

চলতি মৌসুমে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি তিনি। নিজের কাজ তবু শতভাগ চালিয়ে গেছেন বলেই দাবি তার। ২৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড অপেক্ষায় সামনে আরও বেশি সুযোগের। 

“গোল করতে পেরে আমি খুশি। যখনই সুযোগ আসে, চেষ্টা করি দলের জন্য অবদান রাখতে। আমি জানি যে দলে কেমন ভূমিকা রাখতে পারি, অনুশীলনে তা দেখানোর চেষ্টাও করি। আজকে সুযোগ পেয়ে ভালো লেগেছে। এই মৌসুমে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাইনি, তবে কাজ করে গেছি একইভাবে।” 

“দলের জন্য নিজের সেরাটা দিতে ম্যাচে আরও বেশি সময় খেলা প্রয়োজন। আমি জানি যে আমার সামর্থ্য আছে।” 

সবশেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে বার্সেলোনা হেরে গেলেও লিগে জয়ের পথে থাকতে পারায় খুশি মেমফিস। তার মতে, জয়ের ব্যবধান এ দিন আরও বড় হতে পারত। 

“আমাদের মানসিকতা দারুণ। জয়ের ধারা ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। মিউনিখে হেরে গেলেও আমাদের তাড়না কমে যায়নি। আজকে আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছি এবং আরও বেশি গোল করা উচিত ছিল।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক