Published : 08 Jan 2026, 03:19 AM
ম্যাচ জুড়ে দাপুটে ফুটবল খেলল বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে ১৬ মিনিটের মধ্যে চার গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিল তারা। বিরতির পর গোলের দেখা মিলল আরও একটি। আথলেতিক বিলবাওকে গুঁড়িয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে উঠল শিরোপাধারীরা।
সৌদি আরবের জেদ্দায় বুধবার রাতে সেমি-ফাইনালে ৫-০ গোলে জিতেছে হান্সি ফ্লিকের দল।
জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া। একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন ফেররান তরেস, ফের্মিন লোপেস ও রুনি বার্দগি।
বার্সেলোনার দাপটের চিত্রও স্পষ্ট পরিসংখ্যানেও। প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১৩টি শট নেয় তারা, যার ৭টি ছিল লক্ষ্যে। বিলবাওয়ের ৯ শটের ৩টি লক্ষ্যে ছিল।
লামিনে ইয়ামাল ও রবের্ত লেভানদোভস্কিকে বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজান বার্সেলোনা কোচ ফ্লিক।
ষোড়শ মিনিটে প্রথম লক্ষ্যে শট রাখতে পারে বার্সেলোনা। বক্সের বাইরে থেকে গোলরক্ষক উনাই সিমন বরাবর মারেন পেদ্রি। ২০তম মিনিটে দারুণ সুযোগ হারান লোপেস। বক্সে ঢুকে ওয়ান-অন-ওয়ানে সিমনের বরাবর শট করেন তিনি।
এক মিনিট পরই গোলের দেখা পায় লা লিগায় টানা ৯ ম্যাচ জয়ী বার্সেলোনা। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন বার্দগি, ঠিকমতো শট নিতে পারেননি লোপেস, বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে শটে জালে পাঠান তরেস।
৩০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে বার্সেলোনা। বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন রাফিনিয়া আর প্রথম স্পর্শে বাঁ পায়ের জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন লোপেস।
৩৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন বার্দগি। ফের্মিনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে নিচু শট তিনি, সিমন ঠেকিয়ে দিলেও তার হাতের নিচ দিয়ে গড়িয়ে জালে জড়ায় বল।
৩৮তম মিনিটে দুর্দান্ত গোলে স্কোরলাইন ৪-০ করেন রাফিনিয়া। বার্দগির পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড, প্রতিপক্ষের একজনের বাধা এড়িয়ে বুলেট গতির শট নেন তিনি, কাছের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায় বল।
প্রথম দল হিসেবে স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমি-ফাইনালে প্রথমার্ধে চার গোল করার কীর্তি গড়ল বার্সেলোনা।
৪২তম মিনিটে বার্সেলোনার রক্ষণে ভীতি ছড়ায় বিলবাও। তাদের মিডফিল্ডার সানসেতের নিচু শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পান রাফিনিয়া। বক্সের ভেতর থেকে জোরাল শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
হ্যাটট্রিকের পথে বেশিদূর অবশ্য ছুটতে পারেননি রাফিনিয়া। ৬৫তম মিনিটে তাকে তুলে মার্কাস র্যাশফোর্ডকে নামান কোচ। ৭২তম মিনিটে বার্দগির বদলি নামেন ইয়ামাল।
বাকি সময়ে দুই দলই সুযোগ পায় কিছু, কিন্তু জালের দেখা পায়নি আর কেউ।
একই মাঠে বৃহস্পতিবার আরেক সেমি-ফাইনালে লড়বে রেয়াল মাদ্রিদ ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। ফাইনাল আগামী রোববার।