অ্যাথলেটিক্স
Published : 17 May 2026, 06:53 PM
ষষ্ঠবারের মতো দ্রুততম মানব হওয়ার উচ্ছ্বাস ঝরল ইমরানুর রহমানের কথায়। আসছে এশিয়ান গেমসে ভালো করার আশাবাদও শোনালেন প্রত্যয়ী কণ্ঠে। এরপর ইংল্যান্ড প্রবাসী এই অ্যাথলেট কথা বললেন আলোচিত ক্রীড়া কার্ড নিয়ে, যে কার্ড এখনও তিনি পাননি।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে ফুটবল, হকিসহ বিভিন্ন অঙ্গনের তিনশ খেলোয়াড়কে ক্রীড়া কার্ড দিয়েছে। এই কার্ডের আওতায় ক্রীড়াবিদরা প্রতি মাসে এক লাখ টাকা ভাতা পাবেন। দেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রীড়া কার্ড পাননি এখনও।
জাতীয় স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে রোববার ১০ দশমিক ৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা হন ইমরানুর। এরপর গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে এসে ক্রীড়া কার্ড না পাওয়া নিয়ে প্রশ্নে ৩২ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট দেন কৌশলী উত্তর।
“আমি আসলে...এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসলে তাদের। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে কী করবে…আমি এই সিদ্ধান্ত তাদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি। আমি যেটা করতে পারি, সেটা হচ্ছে, পারফরম করে যাওয়া। যদি আমি জিতি, জিততে থাকি, তাহলে আশা করি তারা আমার এটাকে উপেক্ষা করতে পারবে না।”
দেশের ট্র্যাকে সেরা হওয়া ইমরানুর এখন তাকিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানে হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের দিকে। চোট সমস্যা কাটিয়ে সেরা ছন্দ নিয়ে জাপানে যাওয়ার আশাবাদও জানালেন তিনি।
“আমি ধাপে ধাপে ট্রেনিং ও দৌড় চালিয়ে যাচ্ছি। ফিট থেকে যদি ট্রেনিং করতে পারি, তাহলে পারফরম্যান্স ভালো হবে। এশিয়ান গেমসে ভালো করতে হলে আসলে ধারাবাহিক ট্রেনিং লাগবে। আশা করি, জাপানে আমি ভালো পারফরম্যান্স করতে পারব।”
“চোট দুই বছর আমাকে ভুগিয়েছে। সেটা ভালো হয়ে গেলেও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার জন্য সময় লাগছে। আলহামদুলিল্লাহ, এ মুহূর্তে ভালো আছি। সেরা টাইমিং করতে পারিনি, কিন্তু এটা নিয়ে ভাবছি না। চ্যাম্পিয়নশিপে টাইমিংয়ের চেয়ে ফিনিশিংটা গুরুত্বপূর্ণ।”
শিরিনকে অবশ্য অন্যরকম প্রশ্নের উত্তর দিতে হলো। গত বছর বিয়ের পিঁড়িতে বসার পর, প্রথম সাফল্য কিনা এমন প্রশ্নে শিরিনের সাথে হেসে ওঠেন বাকিরাও। নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট বললেন, সবার সহযোগিতার কারণে সংসার জীবনের প্রভাব পড়েনি তার পারফরম্যান্সে।
“(হাসি) হ্যাঁ, একদম তাই (বিয়ের পর প্রথম দ্রুততম মানবী হলাম)। আসলে আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম আমার বিয়ে হয়েছে (হাসি)। তো আসলে সে আমাকে অনেক বেশি সাপোর্ট করেন। তিনি জাতীয় বাস্কেটবল দলের খেলোয়াড়, বিমানবাহিনীতে কর্মরত আছেন। আমি... আরেকটি পরিবার পেয়েছি, সে পরিবারও অনেক সাপোর্টিভ। ঈদের সময় পাবনাতে ঈদ করেছি এবং সেখানে স্টেডিয়াম, আদার্স জায়গাগুলোতে আমি ট্রেনিং করেছি।”